শীতের শুরুতেই গলা খুসখুসে ভাব, শুষ্ক কাশি, বুকে চাপ বা শ্বাসকষ্ট পরিচিত সমস্যা। হঠাৎ ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস ও শুষ্ক পরিবেশ শ্বাসনালিকে দুর্বল করে তোলে। ফলে গলায় জ্বালা, মাথাব্যথা বা কাশি দেখা দেয়।
তবে আশার কথা হলো—আমাদের দৈনন্দিন রান্নাঘরেই আছে এমন কিছু ভেষজ ও মসলা, যা প্রাকৃতিকভাবে গলা আর বুকের অস্বস্তি প্রশমিত করতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক শীতের মৌসুমে সহজলভ্য সেই ঘরোয়া প্রতিকারগুলো—
- এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ গুলে গার্গল করলে গলার ব্যথা ও কাশি কমে যায়।
- উষ্ণ হলুদ পানি বা গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করলে গলার শুষ্কতা কমে, কাশি প্রশমিত হয়। সেইসঙ্গে গলায় সুরক্ষামূলক আবরণ তৈরি হয়।
- আদা চা অথবা সামান্য মধু দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে গলা ব্যথা ও কাশি অনেকটাই কমে যায়।
- তুলসির চা, তুলসিপাতা ভেজানো পানি শুষ্ক কফ দূর করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতেও এ পানীয় উপকারী।
- মধুর সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়া গলায় তাৎক্ষণিক আরাম দেয় ও কাশি কমায়। গোলমরিচ শরীরে রক্তসঞ্চালন বাড়ায় ও শ্লেষ্মা পাতলা করতে সাহায্য করে।
- গলায় শুষ্কতা থাকলে একটি ক্যান্ডি খেলে লালা নিঃসরণ বাড়ে ও শক্ত কফ নরম হয়।
এছাড়া পানি, স্যুপ বা জুস শ্লেষ্মা পাতলা করে। তবে ক্যাফিনযুক্ত চা বা কফি শরীরের পানিশূন্যতা বাড়ায়। তাই ঠান্ডা লাগলে এগুলো কম খাওয়াই ভালো। শীতে বাতাস বেশি শুষ্ক থাকে, ফলে নাক ও গলার পথ শুকিয়ে যায়। তার উপর ধুলাবালি, দূষণ, অ্যালার্জি, অ্যাজমা, এমনকি এসিড রিফ্লাক্সও কাশির কারণ হতে পারে। কখনো কখনো ঠান্ডা ও ফ্লুও দীর্ঘস্থায়ী কাশির জন্ম দেয়। মানসিক চাপও ঠান্ডা ও কাশির স্থায়ীত্বকাল বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অসুস্থ অবস্থায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়াই সবচেয়ে ভালো ওষুধ।










