আইবিএস রোগীদের নির্দিষ্ট কোনো খাদ্যতালিকা নেই। তবে রোগীদের চিহ্নিত করতে হবে কী ধরনের খাবারে তাদের সমস্যা হচ্ছে। ঠিক সেসব খাবার বাদ দিলে ভালো হয়। রোগীকে শক্ত ও ভাজা খাবার না খেয়ে নরম আঁশবিহীন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

যদি তাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা দুধে অসহনশীলতা থাকে তাহলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার বাদ দিতে হবে। এক্ষেত্রে সয়ামিল্ক ও সয়াবিনের তৈরি খাবার খাওয়া যেতে পারে।

  • আঁশবিহীন সবজি ও ফল খেতে হবে।
  • পানির পরিমাণ বাড়াতে হবে।
  • ভাত-চালের রুটি-আলু-নুড্লস খাওয়া যাবে।
  • খেতে হবে মাছ-ডিম-মুগডাল।
  • অতিরিক্ত চর্বি ও মিষ্টি বাদ দিতে হবে।
  • ভালো করে চিবিয়ে খাবার খেতে হবে।
  • প্রতিদিনের খাবারে কাঁচা পেঁপে থাকলে ভালো হয়।
  • কড়া চা-কপি যতটা সম্ভব কম খেতে হবে।
  • বাসি খাবার না খাওয়াই ভালো।
  • রান্নার ধরন হবে ভাপানো, সেদ্ধ ও গ্রিল।
  • সালাদ ড্রেসিং, মেয়োনিজ, পনির বাদ দিতে হবে।
  • প্রোবায়োটিক হিসেবে দই খেলে ভালো হয়।
  • কাঁচা রসুন, পেঁয়াজ, শসা, মুলা এবং ঝালযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে।
  • নিয়মিত ও প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেতে হবে।
  • রাত জাগা বন্ধ করতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।
  • প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার, তামাক, জর্দা, সিগারেট বাদ দিতে হবে।
  • কোমল পানীয় ও অ্যালকোহল বাদ দিতে হবে।
  • প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এতে হজমের ব্যাঘাত ঘটিয়ে সমস্যা বাড়িয়ে দেবে।