অনেক প্রবীণ আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হন। অনেকই তাদের সমস্যা বুঝতে পারেন না। যার কারণে খারাপ আচরণ করেন। রোগীরা অযত্ন ও অবহেলার শিকার হন। আলঝেইমারে আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।

আলঝেইমারে আক্রান্ত রোগীরা নিজেরা শারীরিক ও মানসিক কষ্টে ভুগে থাকে। পাশাপাশি আশপাশের মানুষদেরও কষ্ট পেতে হয়। আলঝেইমার হলে মানুষের স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্মের কথাও ভুলে যান।

পরিবারের প্রিয়জনের কারো আলঝেইমার ধরা পড়লে পরিজনেরা তাকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা ও সেবা করার চেষ্টা করা উচিত। বিশেষত প্রবীণ কেউ এতে আক্রান্ত হলে পরিচর্যার প্রয়োজন আরো বেশি। কিন্তু রোগের মাত্রা যত বাড়তে থাকে, রোগীর দেখভাল কঠিন হয়ে ওঠে। রোগীর বয়সের ওপর উপসর্গ অনেকটা নির্ভর করে। তাই কোনো পরিচর্যার একটি বা দুটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সব সময় কাজে দেয় না। এটি মাথায় রাখতে হবে। উপসর্গ অনুযায়ী পরিচর্যার ধরনে পরিবর্তন আনতে হবে।

রোগীর সঙ্গে সেবা প্রদানকারীর বোঝাপড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু কথার মাধ্যমে বোঝাপড়া নয়। পাশাপাশি স্পর্শ, চোখের ইশারা ও শব্দ দিয়েও যোগাযোগ করার চেষ্টা করতে হবে রোগীর সঙ্গে।

রোগীর প্রতি মনোযোগী হতে হবে। রোগী কী বলছে তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। একই সঙ্গে কথা না বলেও নানাভাবে নিজের মনের ভাব বোঝানো যায়। সেই দিকেও নজর রাখা দরকার। সাধারণভাবে গোসল করা নিয়ে আলঝেইমার রোগীদের মধ্যে একটা ভয় তৈরি হয়। পরিচ্ছন্ন জামাকাপড় পরা, খাওয়া-দাওয়া এমনকি মলমূত্র ত্যাগের ক্ষেত্রেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কীভাবে রোগীকে সাহায্য করতে হবে, সেটা বুঝতে হলে বিষয়গুলো নিয়ে কিছুটা লেখাপড়া করা থাকলে ভালো হয়।