শিশুদেরও টনসিল দেখা দেয়। সাধারণত ৪-১০ বছর পর্যন্ত টনসিল বড় হতে থাকে। ১২ বছর বয়সে গিয়ে তা ছোট হয়ে আসে। এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। শিশুর মুখ ও নাক হয়ে রোগজীবাণু যাতে শরীরের ভেতরে যেতে না পারে সেজন্য গলার চারপাশে আংটির মতো টনসিল অবস্থান করে। কিন্তু কখনো কখনো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব এদের আক্রমণ করে বসে। একে টনসিলাইটিস বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ প্রদাহ হয় ভাইরাসের সংক্রমণে।
প্রদাহ হলে বোঝার উপায়
১০০ দশমিক ৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রার জ্বর।
গলার পাশের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া।
টনসিলের ওপর হলুদ বা সাদা আস্তরণ।
গ্রুপ এ-বিটা হিমোলাইটিস কালচার পজিটিভ।
ব্যবস্থাপনা
ভাইরাসজনিত টনসিলের প্রদাহে শিশুকে লবণ-পানির কুলকুচি করানো যেতে পারে। গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে দেয়া যেতে পারে। স্বাভাবিক খাবার খাওয়াতে হবে। এ সমস্যা সপ্তাহখানেকের মধ্যে সম্পূর্ণ সেরে যায়। অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে না।
টনসিলাইটিস হলে বেশি বেশি তরল খাবার ও পানীয় পান করতে হবে। গিলতে সমস্যা হলে স্যুপ, নরম করে রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত।
বছরপ্রতি কমপক্ষে তিনবার করে টানা তিন বছর টনসিলের সমস্যায় ভুগলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ও শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।










