নিউরোপ্যাথিক ব্যথা বা স্নায়ু ব্যথার ঝুঁকি মূলত ডায়াবেটিস রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বছরের বেশি) এবং যাদের ক্যান্সার, এইচআইভি, দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বা স্নায়ুতে আঘাত (ট্রমা/সার্জারি) রয়েছে, তাদের বেশি থাকে। যেমন—
এছাড়া ভিটামিন বি ১২-এর অভাব, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং দাদ আক্রান্তদেরও এ ব্যথার উচ্চঝুঁকি রয়েছে।
ডায়াবেটিস রোগী : ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথিতে আক্রান্তদের স্নায়ু ব্যথার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৫০ শতাংশ রোগী)।
বয়স্ক ব্যক্তি: সাধারণত ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের স্নায়ু ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার কারণে এ ব্যথার ঝুঁকি বেশি থাকে।
ক্যান্সার ও কেমোথেরাপি : ক্যান্সার রোগী, বিশেষ করে যারা কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন নিচ্ছেন, তাদের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংক্রমণ (ইনফেকশন): দাদ বা হার্পিস জোস্টার এবং এইচআইভি/এইডস আক্রান্তরা।
স্নায়ুতে আঘাত: মেরুদণ্ডের সমস্যা, দুর্ঘটনা বা সার্জারির কারণে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে।
অ্যালকোহল ও পুষ্টিহীনতা: বছরের পর বছর অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন এবং ভিটামিনের (বি১২) অভাব
দীর্ঘস্থায়ী রোগ: স্ট্রোক, পারকিনসন ডিজিজ, মাল্টিপল স্কেলেরোসিস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।
লিঙ্গভেদ: নারীদের মধ্যে ক্রনিক নিউরোপ্যাথিক ব্যথা পুরুষদের চেয়ে বেশি দেখা যায়।










