আলঝেইমার রোগের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে অনুমান করা হয় বংশগত, পরিবেশগত ও জীবনযাত্রার এবং বয়স-সম্পর্কিত মস্তিষ্কের পরিবর্তনের সংমিশ্রণে এ রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ঝুঁকিগুলো হলো—
বয়স: ৬৫ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের আলঝেইমার হওয়ার আশঙ্কা তার কম বয়সীদের তুলনায় বেশি। যদিও বার্ধক্য আলঝেইমারের জন্য সবচেয়ে স্বীকৃত ঝুঁকির কারণ, তবে এটি অসুস্থতার কারণ হয় না।
পারিবারিক ইতিহাস: একজন রোগীর আলঝেইমার রোগ হওয়ার ঝুঁকি সাত গুণ বেশি হয় যদি তাদের পরিবারে রোগের ইতিহাস থাকে।
লিঙ্গ: নারীদের এ অবস্থা হওয়ার আশঙ্কা বেশি, সব আলঝেইমার রোগীদের মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নারী।
অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা। ২৫ বছররের পর যাদের ওজন বেশি থাকে তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
হাইপারটেনশন: মধ্য বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, বিশেষ করে যদি অনিয়ন্ত্রিত হয়, তাহলে আলঝেইমার রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
কার্ডিওভাসকুলার ও সেরিব্রোভাসকুলার রোগ: স্ট্রোক, চিকিৎসাগতভাবে নীরব সেরিব্রাল ইনফার্কশন এবং কার্ডিওভাসকুলার অবস্থাসহ পেরিফেরাল ধমনি রোগ, উল্লেখযোগ্যভাবে ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
মাথায় আঘাত: অনেক ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত লেগে থাকা একজনের আলঝেইমার রোগ বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ: বিষণ্নতা ও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ মস্তিষ্কে অ্যামাইলয়েড-বিটা প্রোটিন জমা করে, যা আলঝেইমার রোগের ইটিওলজিকে প্রভাবিত করতে পারে।
ঘুমের সমস্যা: ঘুমের সমস্যা এবং অনিয়মিত ঘুমের ধরন মাঝারি জ্ঞানীয় দুর্বলতা এবং আলঝেইমারের প্রাথমিক পর্যায়ের কারণ হতে পারে।
শারীরিক পরিশ্রম কম করা: এই রোগটি তাদের মধ্যে বিকাশের আশঙ্কা বেশি যারা শারীরিক পরিশ্রম কম করে।
জটিলতা
নিউমোনিয়া: আলঝেইমার আক্রান্ত ব্যক্তিদের যদি গিলতে সমস্যা হয় এবং খাবার বা তরল তাদের ফুসফুসে যায় তবে তাদের অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া হতে পারে। আলঝেইমারে আক্রান্তদের মৃত্যুর একটি সাধারণ কারণ হলো নিউমোনিয়া।
অন্যান্য বিষয়: স্ট্রোক, সংক্রমণ, প্রলাপ এবং কিছু ওষুধ আলঝেইমার লক্ষণগুলোকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।










