গলাব্যথা মানেই টনসিল নয়। যেসব কারণে গলাব্যথা হতে পারে তার মধ্যে একটি হলো টনসিল। আরো নানা কারণে গলাব্যথা হতে পারে। যেমন ভাইরাসজনিত কারণে সাধারণ সর্দি-কাশি থাকলে। আবার ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যেমন স্ট্রেপ থ্রোট, অ্যালার্জি, অতিরিক্ত চিৎকার করা, ধোঁয়া বা খুব গরম খাবার খাওয়া, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং অনেক সময় টিউমারও থাকতে পারে।

টনসিলাইটিস হলে সাধারণত টনসিল ফুলে যায়, লাল হয়, জ্বর আসে এবং গিলতে সমস্যা হয়, যা সাধারণ গলাব্যথা থেকে আলাদা হতে পারে।

গলাব্যথার সাধারণ কারণগুলো

ভাইরাল সংক্রমণ: সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা বা ফ্লুর কারণে হয়, যা গলাব্যথা এবং নাক বন্ধ থাকার মতো লক্ষণ তৈরি করে।

টনসিলাইটিস: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে টনসিলের প্রদাহ। এতে গলাব্যথা, ফোলা, জ্বর, গিলতে কষ্ট হয়।

স্ট্রেপ থ্রোট: এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ (স্ট্রেপটোকক্কাস)। এতে তীব্র গলাব্যথা হয়, কিন্তু সাধারণত নাক বন্ধ থাকে না।

অ্যালার্জি: ধুলা, পরাগ ইত্যাদির কারণে পোস্টনাসাল ড্রিপ (গলার পেছনে শ্লেষ্মা পড়া) হয়ে গলাব্যথা হতে পারে।

গলার পেশির অতিরিক্ত ব্যবহার: চিৎকার বা জোরে কথা বললে গলার পেশি টানটান হয়ে ব্যথা হতে পারে।

অ্যাসিড রিফ্লাক্স: পাকস্থলীর অ্যাসিড গলার ভেতরে চলে এলে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

 যদি গলাব্যথা এক সপ্তাহের বেশি থাকে।

 যদি তীব্র জ্বর থাকে।

 যদি গিলতে বা শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়।

 যদি ঘাড়ে ফোলা ভাব থাকে।

 যদি টনসিলের ওপর সাদা বা হলুদ দাগ দেখা যায় (যা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে)।

গলাব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।