২০৩২ সালের মধ্যে রেটিনাজনিত রোগের কারণে বাংলাদেশের ওপর প্রায় ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থসামাজিক বোঝা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্ব রেটিনা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইওএইচ) ও রোশ বাংলাদেশ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। শনিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মো. মেজবাহুল আলম। সেখানে বলা হয়- বিশ্বব্যাপী ৭ কোটি রোগী রেটিনাল রোগের কারণে অন্ধত্ব বরণ করেছে। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নিওভাসকুলার এএএমডি ও ডায়াবেটিক ম্যাকুলার ইডিমা রোগের কারণে দেশের উপর মোট সামাজিক ও অর্থনৈতিক বোঝার পরিমাণ ছিল আনুমানিক ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ থেকে ২০৩২ সালের মধ্যে এই বোঝা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ৩৫০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বক্তারা জানান, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি বাংলাদেশের অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। সচেতনতা, রোগ নির্ণয় কর্মসূচি ও সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের অভাবে এখনো অনেক রোগী চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
গোলটেবিলে নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা স্ক্রিনিং, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার ঘাটতি চিহ্নিত করে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গোলটেবিলে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি (ডিআর) মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন। অংশীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নীতি-নির্ধারক, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।









