১৯৪৮ সালে মাতৃভূমি হারানোর দিন হিসেবে ১৫ মে নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস পালন করেন ফিলিস্তিনিরা। এ দিনেই গাজার দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ১৪৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত তিনটি হাসপাতালের কার্যক্রম। এর মধ্য দিয়ে এ উপত্যকায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫৩ হাজার ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে ভোররাতে চালানো বিমান হামলায় অন্তত ৬১ জন নিহত হন। আর উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়ায় আল–তাওবাহ চিকিৎসাকেন্দ্রে বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় জাবালিয়ার আল–আওদা হাসপাতাল, খান ইউনিসের ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতাল এবং ইউরোপীয়ান হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি এবং কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা চলার মধ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে। এতে ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণকে ‘মরিয়া ও আগ্রাসী’ বলেও উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, চলমান ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩ হাজার ১০ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ১৯ হাজার ৯১৯ জন।
তবে গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। তাদের ভাষ্য, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ থাকা বহু মানুষকে মৃত ধরে এ সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।















