ফিলিস্তিনের গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসকরা। তাদের মধ্যে একই পরিবারের ১২ জন রয়েছেন। খবর আল-জাজিরার।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ১ হাজার ৯৭৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫ হাজার ২০৭ জন।

এদিকে গত ১৮ মাসে বা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৩৫৫ জনে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪৮ জন।

তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য বলছে, নিহতের এ সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি। এছাড়া হামলার কারণে অগণিত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তাই নিহতের এই সংখ্যা বাড়তেই পারে।

বৃহস্পতিবার গাজায় সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাতে ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির বলেন, জিম্মিদের মুক্তি সংক্রান্ত অগ্রগতি আমরা যদি শিগগির না দেখি, তবে গাজায় আমাদের তৎপরতা আরো কঠোর এবং গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে রূপ নেবে। পাশাপাশি গাজার উত্তরাঞ্চল বেইত হানুন ও শেখ জায়েদ এলাকার বাসিন্দাদের নতুন করে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকায় হামাসের একটি ‘কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’ লক্ষ্য করে তারা হামলা চালিয়েছে। তবে সেটি উক্ত পুলিশ স্টেশন ছিল কি না, তা তারা নিশ্চিত করেনি।

এ বিষয়ে জাতিসংঘ হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা বাস্তবে মানুষের জোরপূর্বক স্থানান্তরে পরিণত হচ্ছে।

সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর মতে, গাজার ২৪ লাখ বাসিন্দার মধ্যে বেশিরভাগই যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।