কোরীয় সীমান্ত থেকে লাউড স্পিকার সরিয়ে নেয়ার দাবি প্রোপাগাণ্ডা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, 'আমরা কখনোই এই লাউডস্পিকার অপসারণ করিনি, করার ইচ্ছেও নেই।' খবর রয়টার্স।

বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, সীমান্তে প্রচারণামূলক বার্তা সম্প্রচারকারী লাউডস্পিকার অপসারণের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি ‘ভিত্তিহীন ও একপাক্ষিক ধারণা’। এটিকে 'ভিন্নখাতে মনোযোগ ঘোরানোর চেষ্টা’ বলেও জানিয়েছেন তিনি।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো ইচ্ছে নেই পিয়ংইয়ংয়ের। এমনকি এই অবস্থান ভবিষ্যতে দেশটির সংবিধানেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন কিম ইয়ো জং।

এর আগে এই সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, পিয়ংইয়ং সীমান্ত এলাকার কিছু লাউডস্পিকার সরিয়ে নিয়েছে। এই দাবি আসে কয়েক দিন পর, যখন সিউল নিজস্ব কিছু লাউডস্পিকার সরিয়ে নেয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সম্প্রচারে সীমান্ত পেরিয়ে প্রচারণামূলক বার্তার পাশাপাশি কে-পপ গানও বাজানো হতো। অপরদিকে, উত্তর কোরিয়া বিরক্তিকর শব্দ, যেমন পশুর হাউমাউ ধ্বনি, সম্প্রচার করত। অতীতে সিউলের এসব সম্প্রচারকে যুদ্ধঘোষণার সমতুল্য বিবেচনা করে লাউডস্পিকার উড়িয়ে দেয়ার হুমকিও দিয়েছিল পিয়ংইয়ং।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে লি জে মিয়ং দায়িত্ব নেয়ার পর সীমান্ত এলাকায় সম্প্রচার বন্ধ করে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী তখন এটিকে ‘আস্থা পুনর্গঠন’ ও ‘কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি অর্জনের প্রচেষ্টা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল। তবুও দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক এখনো অস্থির।