পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় একটি নিরাপত্তা স্থাপনায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন শিশু রয়েছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুটি বিস্ফোরকভর্তি যানবাহন দিয়ে হামলাটি চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। খবর রয়টার্স।

বিস্ফোরণের কারণে নিকটবর্তী একটি মসজিদের ছাদ ধসে পড়েছে। ইফতারের পর সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা অবস্থান করছিলেন। আশপাশের বাজারেও তখন লোকজন ভিড় করছিল বলে এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বিস্ফোরণের পর আরো কয়েকজন সন্ত্রাসী সামরিক স্থাপনায় প্রবেশের চেষ্টা করলেও নিরাপত্তা বাহিনী তা প্রতিহত করে। গোলাগুলির ঘটনায় ছয়জন হামলাকারী নিহত হন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

বান্নু হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ নউমান জানান, হামলায় ১২ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই বেসামরিক নাগরিক। তাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন।

উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে হতাহতদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিও ফুটেজে স্থানীয়দের ধ্বংসস্তূপ সরাতে দেখা গেছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, পাকিস্তানের শত্রুদের ষড়যন্ত্র কখনো সফল হতে দেয়া হবে না।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর ওপর হামলা বাড়িয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্ডাপুর এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। সে সঙ্গে, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তিনি।