খাবারের মাধ্যমে কভিড-১৯ ছড়ানোর এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ভাইরাসের উপস্থিতি থাকলেও রান্না করার সময় তা মরে যায়। তবে যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সির ওয়েবসাইটে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ব্লুমফিল্ডও বলেছেন, এমন কোনো কিছু নেই যা ঝুঁকিমুক্ত। বিশেষ করে প্যাকেট করা ও অন্যের দ্বারা হস্তান্তর করা প্রধানত উদ্বেগের কারণ হতে পারে। 

বলা হচ্ছে, খাবার প্যাকেটজাত করা ঝুঁকিপূর্ণ বলে পরিচিত নয়। যদিও অন্য বিশেষজ্ঞরা বাড়তি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, প্যাকেটজাত পণ্যগুলো ব্যবহার করার আগে ৭২ ঘণ্টা রেখে দেয়া যেতে পারে কিংবা জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করা বা মুছে ফেলা উচিত। কাচের আবরণ হলে তা সাবধানে ব্লিচ দিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পরে। এছাড়া তাজা শাক-সবজির ক্ষেত্রে তা যদি অন্যের দ্বারা স্পর্শ করা হয়, তবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

কেনাকাটার পরে অবশ্যই সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে ফেলা কিংবা শপিংয়ের আগে-পরে অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা দরকার।

এছাড়া যেকোনো বস্তুকে আপনি এমনভাবে দেখুন যেন তাতে ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। যার অর্থ কেনাকাটার ঝুড়ি, প্যাকেট ও পণ্য স্পর্শের পর আপনি হাত দিয়ে মুখ স্পর্শ করবেন না।

ডববিসি