জেলবন্দি চার হাজার কয়েদিকে আগাম মুক্তি দিচ্ছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস। নভেল করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তারা।
ব্রিটেনের মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস (এমওজে) বলেছে, তারা কম ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধীদের সাময়িকভাবে মুক্তি দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের যে লাইসেন্স প্রদান করা হবে, তা-ও হবে নিয়ন্ত্রিত।
জেলখানায় হাজারো বন্দিকে একসঙ্গে থাকতে হয়। যাদের অনেকে আবার একই সেলে থাকেন। যার ফলে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর মাঝে ব্রিটেনে গতকাল পর্যন্ত ৮৮ জন কয়েদি ও ১৫ জন জেলকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন। আইসোলেশনে রাখা হয়েছে আরো ১ হাজার ২০০ জনকে। এ পরিসংখ্যান সামনে আসার পর থেকেই মূলত নড়েচড়ে বসে ব্রিটেন সরকার। যার ফল হিসেবে চার হাজার কয়েদিকে সাময়িক মুক্তি দেয়ার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কয়েদিদের এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। যাদের মাঝে সহিংস ঘটনা ঘটানো, যৌন নিপীড়ক, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং শিশুদের জন্য বিপজ্জনক আসামিদের রাখা হয়েছে এ তালিকার বাইরে। যেসব কয়েদি এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত সাজার অর্ধেক সময় পার করেনি, তাদেরও তালিকায় রাখা হয়নি।
এর বাইরে নভেল করোনাভাইরাসজনিত অপরাধে জড়িতরা, বিশেষ করে যারা জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীদের গায়ে কাশি দিয়েছেন কিংবা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম তথা পিপিই চুরি করেছেন, তারা এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
জানা গেছে, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে জেলে প্রায় আট হাজার কর্মী উপস্থিত হতে পারছেন না।
জাস্টিস সেক্রেটারি রবার্ট বাকল্যান্ড বলেছেন, জীবন রক্ষার স্বার্থে সাময়িক মুক্তির এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে তাদের।
বিবিসি ও গার্ডিয়ান





