নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের প্রতিকারমূলক উপায় সামনে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেসব স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শগুলো বেশির ভাগ মিথ্যা ছিল। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্র এমন অনেক ভুয়া পরামর্শ প্রাণঘাতী বলেও প্রমাণিত হয়েছে।
কভিড-১৯ চীন থেকে অন্যান্য দেশে বিস্তৃতি লাভের পর থেকেই শোনা যেতে থাকে মদ্যপান কভিড-১৯ সারিয়ে তুলতে পারে। বিভিন্ন সময় অনেকগুলো দেশে এ গুজব ডালপালা মেলেছে। যদিও এই গুজবের কোনো ভিত্তি নেই, বরং তা প্রাণঘাতী বলেও প্রমাণিত হয়েছে কোথাও কোথাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও সরাসরি বলেছে, মদ ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে না, বরং তা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
এর মাঝে আরেকটি গুজব বেশ ছড়িয়ে পড়েছিল, যেখানে বলা হচ্ছিল নিঃশ্বাস আটকে রেখে কভিড-১৯ পরীক্ষা করে দেখা যায়। ভারতের এক যোগগুরু দাবি করেন, তরুণ ও যুবকরা ১ মিনিট এবং বয়স্করা ৩০ সেকেন্ড শ্বাস আটকে করোনা হয়েছে কিনা পরীক্ষা করতে পারেন। যদিও তার এমন দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সেই একই যোগগুরু আরো বলেন, শ্বাস পরীক্ষার সময় নাকে যেন সরিষার তেলও দেয়া হয়। তার মতে, এর ফলে সরিষার তেলসহ ভাইরাস পাকস্থলীতে চলে যাবে এবং সেখানে থাকা এসিড ভাইরাসটিকে মেরে ফেলবে। তার এ দাবিও পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও অবৈজ্ঞানিক।
কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন ব্লিচ বা জীবাণুনাশক শরীরে প্রবেশ করিয়ে কভিড-১৯-এর চিকিৎসা করা যেতে পারে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ রকম কিছু করতে গেলে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
বিবিসি





