পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। কিন্তু মরণঘাতী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হলে সংক্রমিতের মধ্যে যেসব উপসর্গ দেখা যায়, সেটি নেই—চীনে এমন আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি। জনমনে উদ্বেগের মধ্যে প্রথমবারের মতো এমন আক্রান্তের সংখ্যা জানাল দেশটি। চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের (এনএইচসি) দেয়া তথ্য অনুযায়ী, উপসর্গ নেই এমন আক্রান্তদের তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছেন ১৩০ জন। সব মিলিয়ে এ ধরনের ১ হাজার ৩৬৭ জন সংক্রমিত ব্যক্তি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
অন্যদিকে প্রথমবারের মতো মরণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের উত্পত্তিস্থল উহানে বিদেশ থেকে আসা এক ব্যক্তির সংক্রমিতের তথ্য দিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে উহানে ভাইরাসটির উত্পত্তি হয়। গত মাসে স্থানীয়ভাবে যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় চীন। কিন্তু এখন দেশটির জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়েছে বহিরাগতের (ইমপোর্টেড কেস) আক্রান্তের বিষয়টি। গতকালও নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ৩৬ জন। যাদের মধ্যে ৩৫ জনই বিদেশফেরত।
এর আগে জনমনে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় গত মঙ্গলবার এনএইচসি সংক্রমিত হয়েছেন কিন্তু উপসর্গ নেই এমন ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য প্রকাশের ঘোষণা দেয়।
তবে উপসর্গ নেই এমন আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঠিক কতটা ভয়াবহ হতে পারেন, সেটি নিয়ে এখনো অনিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এমন রোগীরা অবশ্যই সংক্রামক ব্যক্তির মতোই হতে পারেন। তবে তারা মরণঘাতী ভাইরাসটি ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক, সেটা এখনো অজানা।
এদিকে বেইজিং বাইরের দেশ থেকে ভাইরাসটি বহনকারী এবং উপসর্গ নেই এমন আক্রান্তদের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো উপসর্গ নেই এমন আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের অবশ্যই ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।
এএফপি





