বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রোগতত্ত্ব বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান দি ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভল্যুশন (আইএইচএমই) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে তারা বলছে, করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে যুক্তরাষ্ট্রে। তাদের গবেষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত কেবল যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৮১ হাজার ৭৬৬। অন্যদিকে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে যুক্তরাজ্যে, যা হতে পারে আক্রান্তের প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি।
আইএইচএমইর হিসাবে আগস্ট পর্যন্ত কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাজ্যে মৃত্যুবরণ করতে পারে প্রায় ৬৬ হাজার মানুষ। প্রতিষ্ঠানটি অবশ্য ৪ আগস্ট পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলেছে ৬৬ হাজার ৩১৪ জন। এমনকি একদিনে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৩ হাজার জনে।
এ দুটি দেশের তুলনায় ইতালি ও স্পেনের জন্য অবশ্য সুসংবাদ আছে। ইউরোপে করোনায় শুরুতে বিপর্যয়ে পড়া ইতালিতে মৃতের সংখ্যা হতে পারে ২০ হাজার ৩০০। একটু পিছিয়ে স্পেনে সেটি হতে পারে ১৯ হাজার ২০৯। তালিকায় পরের অবস্থানে থাকতে পারে ফ্রান্স। যাদের মৃত্যুর সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৮ তে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ফ্রান্সে কভিড আক্রান্তদের জন্য হাসাপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা থাকবে, তবে করোনার আক্রমণের চূড়ান্ত সময়ে দেশটিতে ৪ হাজার আইসিইউ বেডের অভাব দেখা দেবে। জার্মানিতে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে ৮ হাজার ৮০২ জন।
পাশাপাশি ৮ জুন গিয়ে স্পেনে প্রথম মৃত্যুবিহীন দিনের দেখা মিলতে পারে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইএইচএমই জানাচ্ছে, ইতালি ও স্পেন তাদের সবচেয়ে খারাপ সময় পার করে ফেলেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. ক্রিস্টোফার মারে বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর সংখ্যা আমাদের অভিক্ষেপকে ছাড়িয়ে যাবে। স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে এ মহামারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।’
দ্য গার্ডিয়ান





