পদ্মা সেতু
অনেক দিক
থেকেই এক
অনন্য মাইলফলক
বাংলাদেশের জন্য।
বেশকিছু চ্যালেঞ্জ
মোকাবেলা করেই
বিশ্বের অন্যতম
খরস্রোতা নদী
পদ্মার বুকে
দাঁড়িয়েছে স্বপ্নের
এই সেতু।
নানা প্রতিকূলতা
পেরোতে গিয়ে
কিছু অনন্য
রেকর্ড করেছে
পদ্মা সেতু।
সর্বোচ্চ পাইলিং
অ্যামাজনের পরই
প্রমত্তা পদ্মা
বিশ্বের অন্যতম
খরস্রোতা নদী।
সেই খরস্রোতা
নদীতে একেকটি
পিলার বসানো
ছিল সবচেয়ে
চ্যালেঞ্জের। প্রতিকূল
পরিস্থিতিতে একেকটি
পিলার ১২০-১২৫
মিটারের বেশি
পর্যন্ত পাইলিং
করতে হয়েছে।
কোনো কোনো
পিলারের পাইলিং
যতটুকু মাটির
নিচে গেড়ে
দেয়া হয়েছে
তাতে আকার
দাঁড়াবে ৪২
তলা ভবনের
সমান। ২০১৫
সালের ১৫
ডিসেম্বর প্রথম
পাইলিংয়ের কাজ
শুরু হয়ে
তা শেষ
হয় ২০১৯
সালের এপ্রিলে।
সেতুর শুরু
এবং শেষের
পিলারে ১৬টি
করে ৩২টি
পাইলিং হয়েছে।
এছাড়া ২২টি
পিলারে সাতটি
করে এবং
১৮টি পিলারে
ছয়টি করে
পাইলিং করা
হয়েছে।
এত গভীরে
পাইলিংয়ের কারণ
হিসেবে বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, বাংলাদেশ
পলিমাটির দেশ।
যে কারণে
পানির গভীরে
সহজে শক্ত
মাটি পাওয়া
যায় না।
ফলে পাইলিং
বেশি করতে
হয়। আর
পদ্মা চরম
খরস্রোতা নদী
হওয়ায় একদিকে
যেমন তীব্র
স্রোত আরেক
দিকে পলিমাটির
পুরু স্তর
পড়ে। এ
কারণে বিশ্বের
গভীরতম পাইলিংয়ের
সেতু বলা
হচ্ছে পদ্মা
সেতুকে।
সর্বোচ্চ সহনীয়
বেয়ারিং
পিলার ও
স্প্যানের মধ্যে
স্থাপিত বেয়ারিংয়ের
ক্ষেত্রেও অনন্য
রেকর্ডের অধিকারী
পদ্মা সেতু।
এখানে ১০
হাজার ৫০০
টন সহনশীল
একেকটি বেয়ারিং
ব্যবহূত হয়েছে।
পৃথিবীতে এর
আগে এমন
বড় বেয়ারিং
ব্যবহার করা
হয়নি কোনো
সেতুতে।
নদী শাসন
সেতুর দুই প্রান্তে নদী শাসনের ক্ষেত্রেও রেকর্ড হয়েছে পদ্মা সেতু নির্মাণে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে নদী শাসন করা হয়েছে ১২ কিলোমিটারের বেশি। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্তে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং জাজিরা প্রান্তে ১০ দশমিক ৫ কিলোমিটার এলাকা নদী শাসনের আওতায় আনা হয়েছে। এজন্য ব্যয় হয়েছে ৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেশি। এত নদী শাসন করে সেতু নির্মাণ বিশ্বে বিরল।





