বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ও জাতীয় সমৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পোশাক শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। বর্তমানে দেশের অর্থনীতি অনেকাংশেই তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল।

বর্তমানে জাতীয় রফতানি আয়ে প্রায় ৮৪ শতাংশ অবদান পোশাক শিল্পের। পাশাপাশি এ শিল্পে ৪৫ লক্ষাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের দুটি বিশেষ উপখাত হলো ওভেন ও নিটওয়্যার। ১৯৭৮ সালে ওভেন শার্ট রফতানির মধ্য দিয়ে এ শিল্পের যাত্রা। প্রাথমিক পর্যায়ে নিটওয়্যারের চেয়ে ওভেন পোশাক রফতানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আসত বেশি। পরবর্তীকালে নিটওয়্যার পোশাক উপখাতটি ওভেন উপখাতের তুলনায় দ্রুত বাড়ে এবং বেশ কয়েক বছর ধরে রফতানি বাণিজ্যে এ দুই খাতের অবদান ছিল কাছাকাছি। কিন্তু করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর এ চিত্র পাল্টে যায়—ওভেনকে পেছনে ফেলে নিটওয়্যার খাতের অগ্রগতি ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে।

নিটওয়্যার পোশাক শিল্পের উৎপাদিত পোশাকের মধ্যে টি-শার্ট, পলো শার্ট, আন্ডারওয়্যার, স্যুয়েটার, ট্রাউজার প্রভৃতি এবং ওভেন পোশাকের মধ্যে শার্ট, প্যান্ট, জ্যাকেট, ডেনিম, জিন্স ইত্যাদি বিশ্ববাজারে যথেষ্ট সমাদৃত।

বাংলাদেশে নিটওয়্যার শিল্পের কারখানা প্রথমে নারায়ণগঞ্জে গড়ে ওঠে এবং তা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিস্তার লাভ করে। ওভেন শিল্পের পাশাপাশি নিটওয়্যার শিল্প দ্রুতগতিতে বিস্তৃত হওয়ায় পোশাক শিল্প অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপকতা লাভ করে। ১৯৯২ সালে পোশাক শিল্পের রফতানি আয়ে নিটওয়্যার খাতের অবদান ছিল মাত্র ১৫ শতাংশ আর ওভেন খাতের প্রায় ৮৫ শতাংশ। বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে নিটওয়্যারের অবদান মোট পোশাক শিল্পের ৪৯ শতাংশে উত্তীর্ণ হয় এবং ওভেন পোশাকের অংশ ৮৫ থেকে কমে ৫১ শতাংশে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ব্যাপক সফলতার মধ্য দিয়ে নিটওয়্যার খাত রফতানিতে ওভেন খাতকে পেছনে ফেলে। পরেও এ ধারা বজায় রেখে নিটওয়্যার খাত এগিয়ে যায় এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে পোশাক শিল্পের রফতানি আয়ে ওভেন খাতের অংশ দাঁড়ায় ৪৬ শতাংশ আর নিটওয়্যার ৫৪ শতাংশ। এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে পোশাক শিল্প রফতানিতে ওভেন খাতের চেয়ে নিটওয়্যার খাত দ্রুতই অধিকতর বড় অংশ দখল করছে।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্প রফতানিতে সক্ষমতা অর্জনের প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ ১৯৯২-৯৩ অর্থবছরে ওভেন উপখাতে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রফতানি করে এবং নিটওয়্যার মাত্র শূন্য দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রফতানি করে। বিনিয়োগকারীরা ওভেন উপখাতে অধিকতর মনোযোগী থাকলেও শুরুতে এটি সম্পূর্ণরূপে আমদানীকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীরা যখন এ শিল্পে অধিকতর পরিমাণ সংযুক্ত হতে থাকে, তখন তারা যেমন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হতে থাকল তেমনি উৎপাদন ও রফতানি পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা পশ্চাৎ সংযোগ শিল্পের বিকাশ ঘটায় এবং স্থানীয়ভাবেই দক্ষতা বৃদ্ধি করে মানসম্পন্ন রফতানিযোগ্য সুতা ও কাপড় উৎপাদন শুরু করে। পাশাপাশি পোশাক শিল্প বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাতের ক্ষেত্রে অগ্রগতির মাধ্যমে অধিকতর রফতানির যোগ্যতা অর্জন করে। তিন দশকে এসব কার্যক্রমে বাংলাদেশ আরো অধিক সামর্থ্য অর্জন করেছে। একইভাবে দেশে দ্রুত পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প ব্যাপকভাবে গড়ে ওঠার কারণে দেশের পোশাক শিল্প আর আগের ন্যায় কাঁচামাল আমদানির ওপর নির্ভরশীল নয়। ফলে নিটওয়্যার পোশাক রফতানিতে দেশ অগ্রসর হতে থাকে এবং এ রফতানিতে বেশ অবদান রাখতে শুরু করে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ওভেন খাতের রফতানি ছিল ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার এবং সে সময় নিটওয়্যার খাতের রফতানি ছিল ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পরের অর্থবছর ২০০৭-০৮-এ নিটওয়্যার খাত রফতানি করে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আর ওভেন খাত ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। এভাবেই দেশের রফতানিতে নিটওয়্যার খাতের অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে থাকে। কিন্তু ২০১১-১২ অর্থবছরে ওভেন খাত আবারো রফতানিতে এগিয়ে যায় এবং এ খাতের রফতানিমূল্য ছিল ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, নিটওয়্যার খাত সামান্য কমে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী সময়ে ওভেন খাত প্রায় দীর্ঘ নয় বছর নিটওয়্যার খাতের চেয়ে কিছুটা বেশি পরিমাণ রফতানি করে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, করোনা সময়ের প্রারম্ভে তথা ২০১৯-২০ অর্থবছরে পোশাক শিল্প রফতানির মাধ্যমে ২৭ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ বিলিয়ন কম। এ সময় ওভেন খাতের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার এবং নিটওয়্যার খাত ১৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু ২০২০-২১ অর্থবছরে এ চিত্র পাল্টে যায়, নিটওয়্যার খাত থেকে আসে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার আর ওভেন খাত থেকে প্রায় ১৪ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার; যখন দেশের মোট আয় রফতানি খাত থেকে আসে ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার।

করোনা মহামারীকালে বাংলাদেশ কম দামি পোশাক রফতানিতে চমক দেখাতে শুরু করে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধান পোশাক ক্রেতা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো ছাড়াও ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির প্রবৃদ্ধিতে নতুন বাজার বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২১-২২ অর্থবছরে অপ্রচলিত বাজারে ৬৩৭ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করে, যা ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ২৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশের পোশাক রফতানির অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিল, মেক্সিকো উল্লেখযোগ্য। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপানে সবচেয়ে বেশি পোশাক রফতানি করা হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে জাপানে ১০৯ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করা হয়, যা ২০২০-২১ অর্থবছরের চেয়ে ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, করোনা-পরবর্তী সময়ে দেশের পোশাক শিল্পের রফতানির হার ক্রমবর্ধমান। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পোশাক রফতানি করা হয় ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে নিটওয়্যার পোশাক থেকে আসে ১১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার আর ওভেন পোশাক থেকে ৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী ছয় মাসে পোশাক রফতানি থেকে আসে ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার; যার মধ্যে নিটওয়্যার খাতের অবদান ৫৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এ সময় নিটওয়্যারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩১ শতাংশ আর ওভেনে ২৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। তাই দেখা যাচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ইতিহাস সৃষ্টি করে নিটওয়্যার খাত রফতানিতে অবদান রাখে ২৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ওভেন খাতের অবদান ২১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০২২ সালে নিটওয়্যার পণ্যের মধ্যে একক পোশাক হিসেবে টি-শার্ট সবচেয়ে বেশি রফতানি করা হয়েছে, যা এককভাবে ৪ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে, যা পোশাক রফতানির মোট অংশের ২০ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে নিটওয়্যার খাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় রফতানির পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে জার্মানিতে রফতানির পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি (৪ দশমিক ১ বিলিয়ন)। ইতালিতে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন, নেদারল্যান্ডসে ১ দশমিক ১, স্পেনে ২ দশমিক ১, পোলান্ডে ১ দশমিক শূন্য ৯, ডেনমার্কে দশমিক ৮৮, ফ্রান্সে ১ দশমিক ৯ ও সুইডেনে দশমিক ৬ বিলিয়ন। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে নিটওয়্যার পোশাক আমদানি করে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, পরবর্তী সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সে আমদানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয়, যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেটে নিটওয়্যার খাতের রফতানি কমতে শুরু করেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে নিটওয়্যার পণ্য রফতানি করা হয় ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, পরবর্তী সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে। তবে আশার কথা হচ্ছে, অপ্রচলিত দেশের বাজারে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পোশাকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের স্থলে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি করা সম্ভব হয়। এ দেশগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মেক্সিকো, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, চিলি, ব্রাজিল ইত্যাদি রাষ্ট্রে ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছর নিটওয়্যার পোশাক দ্বিগুণ রফতানি করা হয়।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে নিটওয়্যার খাত রফতানিতে ৩৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরো ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক বৃহৎ বহুস্তর বিশিষ্ট কম্পোজিট পোশাক কারখানা গড়ে উঠেছে। এসব কারখানা নিজেরাই নিজেদের ওপর আত্মনির্ভরশীল হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের নিটওয়্যার পোশাক শিল্পের মালিকরা তুলা থেকে সুতা বুনন, সুতা থেকে ফ্যাব্রিক তৈরি এবং তা রঙ করা, ওয়াশ করা, ডায়িং করা এরপর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে নিয়ে এসে কাপড় কাটা, সেলাই করা, এমব্রয়ডারি করা এবং ক্যালেন্ডারিংসহ অন্য সব কাজ সম্পন্ন করতে ১০০ শতাংশ সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বাংলাদেশে নিটওয়্যার খাতের বড় ধরনের সম্ভাবনার কারণগুলো হচ্ছে কারখানার মালিকরা শিল্প-কারখানা আধুনিকীকরণের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। এখনো বাংলাদেশে খুবই সস্তায় শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে। শিল্প-কারখানার জন্য ভূমির দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। এ শিল্পের জন্য এরই মধ্যে বেসরকারি খাতে দেশে ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যেগুলো পোশাক শিল্পের ডিজাইনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে, এশিয়ার দেশগুলোয় বাংলাদেশের নিটওয়্যার পোশাকের চাহিদা বেড়ে গেছে। অন্যান্য অপ্রচলিত বাজারসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয়, ইউকে, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বাংলাদেশের নিটওয়্যার পোশাকের মান সমাদৃত হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী চাহিদাকে বৃদ্ধি করছে।

বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের সাম্প্রতিক অগ্রগতি বিবেচনায় বলা যায়, দেশের নিটওয়্যার শিল্প এক অপার সম্ভাবনাময় খাত, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমুন্নত করে চলেছে। বর্তমান বাংলাদেশে এ খাতে ১ হাজার ২০০-এর বেশি শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। তাই নিটওয়্যার শিল্পের মাধ্যমে যদি আরো নতুন পণ্য উৎপাদন ও বাজার তৈরি করা যায়, তাহলে আসন্ন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বিশ্বদরবারে বড় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনবে এ খাত। এমতাবস্থায় পোশাক শিল্পের অগ্রগতির পথে বিরাজমান যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিটওয়্যার শিল্পের উত্তরণে এগিয়ে আসা সংশ্লিষ্ট সবার অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে যুগোপযোগী সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সময়োচিত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সমন্বয়ে যথাযথ নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারলে অচিরেই এ শিল্প সফলতার শীর্ষে পৌঁছে যাবে।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি