অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগে স্থিতিশীল হোক। তারপর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে একটু রিভিউ করুক। বাজেট যা হওয়ার হয়ে গেছে। তিন মাসের অগ্রগতির মিটিং (বাজেট পাসের পর এ মিটিং হয়) করেও এটা ঠিকঠাক করে নিতে পারবে। কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি থেকে অনুমোদন নিয়ে নেবে উপদেষ্টা পরিষদ। সংসদে যেতে হলো না। মেজর কোনো পরিবর্তন করার দরকার পড়ছে না।
এনবিআরের আয় বাড়ানোর পথ হচ্ছে প্রত্যক্ষ কর আয় বাড়ানো। পরোক্ষ করে কখনো অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা আসে না। পরোক্ষ করমুখী হওয়া মানেই দ্রব্যমূল্য বা মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া। এবারের বাজেটটা পরোক্ষ করমুখী হয়ে গেছে।
ওপর থেকে এনবিআরের ওপর একটা লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেয়া হয়। পরে সেটা সংশোধনও হয়। কিন্তু বাজেটে যে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়, তা আর সংশোধন করা হয় না। ২০১৫ সালের পর থেকে লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। তার আগে এনবিআর নিজেরাই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করত। ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে জিডিপি বড় দেখাতে হবে। এডিপি বড় দেখাতে হবে। তখন থেকেই লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর বড় আকারের বাজেটও দেয়া হচ্ছে।
—সাবেক চেয়ারম্যান, এনবিআর





