কোরবানি ঈদ সামনে রেখে এসক্যোয়ার ইলেকট্রনিকস জাপানি ব্র্যান্ডের সব মডেলের রেফ্রিজারেটরে ৮ হাজার থেকে ২৬ হাজার টাকা নগদ মূল্য ছাড় দিচ্ছে। এছাড়া গ্রামীণফোনের স্টার গ্রাহকদের জন্য ৫ শতাংশ ছাড় আছে। পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ইএমআইয়ে ১২ কিস্তিতে ফ্রিজ কেনার সুবিধা আছে। যাদের ক্রেডিট কার্ড নেই, তাদের ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ কিস্তি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও আছে।
বাজারে এসকোয়্যার ইলেকট্রনিকসের আমদানি করা শার্পের ২৯ মডেলের নতুন ফ্রিজ রয়েছে। শার্পের ডিপ ফ্রিজগুলোর দাম ২২ হাজার ৯০০ টাকা থেকে শুরু। সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকার ফ্রিজও আছে। ঈদ উপলক্ষে এ ফ্রিজ সাড়ে ৩ লাখ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মূল্য অনুপাতে বাজারে শার্পের তিন শ্রেণীর ফ্রিজ রয়েছে। এর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড সিরিজের ফ্রিজগুলো ২৩০ থেকে ৪০০ লিটারের মধ্যে হয়ে থাকে। এগুলো সাধারণত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য। দাম ৪১ থেকে ৬৫ হাজার টাকার মধ্যে। প্রিমিয়ার সিরিজের এ ফ্রিজগুলো ৪০০ থেকে ৫৫০ লিটারের। যারা একটু দামের মধ্যে ভালো জিনিস খোঁজেন, এগুলো তাদের জন্য। দাম ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে। আর টপ প্রিমিয়ার সিরিজের ফ্রিজগুলো সবচেয়ে দামি। এদের মধ্যে রয়েছে ফাইভ ডোর, সিক্স ডোর, সাইড-বাই-সাইড, ফোর ডোর, নন-ফ্রস্ট। এগুলো খুবই ভালো মানের ফ্রিজ।
শার্প ফ্রিজগুলোর মান ভালো হওয়ায় দামও একটু বেশি। আমদানি শুল্কের কারণেও দামটা বেশি পড়ে। বিশ্বব্যাপী প্লাজমা প্লাস্টার আয়রন (পিপিআই) ফিচার শুধু শার্প রেফ্রিজারেটরেই ব্যবহার করা হয়। এর জন্য রেফ্রিজারেটরে কোনো জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, এমনকি ফ্লু ভাইরাস) জন্মাতে পারে না। একটি রুটি এক মাস রাখলেও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে না। স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ ফ্রিজ তৈরি করা হয়েছে। শার্প রেফ্রিজারেটরে ৩৬ ধাপে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সিলভার ও কপারের সমন্বয়ে স্ট্রং ডিউডেরাইজারের ফলে রেফ্রিজারেটরের ভেতরে দুর্গন্ধ হয় না। বিদ্যুৎ চলে গেলেও ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরের খাবার ভালো থাকে। তবে রেফ্রিজারেটরের দরজা খোলা রাখা যাবে না। রেফ্রিজারেটরে মাছ, মাংস, আইসক্রিম রাখলে সেগুলো এক মাস পরও একই রকম স্বাদ থাকে। শার্পের সব রেফ্রিজারেটরেই স্ট্যাবিলাইজার বা ইউপিএস বিল্টইন করা থাকে। অল্প ভোল্টেজে অর্থাৎ ১৩৫ ভোল্টেজেও ফ্রিজ চালানো যায়।






