কোরবানি ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটন বিশেষ অফার দিচ্ছে। তাদের ফ্রিজ কিনে রেজিস্ট্রেশন করলে ‘প্রতিদিন মিলিয়নেয়ার’ হওয়ার সুযোগ থাকছে। এছাড়া থাকছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচারসহ হাজার হাজার পণ্য ফ্রি। বাজারে ওয়ালটনের শতাধিক মডেলের ফ্রিজ আছে। সারা দেশে ৩৫০টি ওয়ালটন প্লাজা নামে নিজস্ব শোরুম আছে। ৭২টি সার্ভিস সেন্টার চালু রয়েছে। ১২ হাজার ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ ডিলার আছে। সর্বনিম্ন ১১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে সব মডেলের ফ্রিজ পাওয়া যায়। ওয়ালটন জানায়, বিভিন্ন ডিজাইন ও কালারের শতাধিক নতুন মডেলের গ্লাস ডোর ফ্রস্ট ফ্রিজ বাজারে খুব ভালো চলছে। এগুলো ২৪ থেকে ৩৬ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ছোট পরিবার কিংবা ব্যাচেলরদের ব্যবহার উপযোগী ৫০ লিটার ও ১০১ লিটার ধারণক্ষমতার দুটি মডেলের ফ্রস্ট ফ্রিজ সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। ডাবল ডোরের ফ্রিজও ভালো চলছে। সব রেফ্রিজারেটরেই এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি, কম্প্রেসরে ১২ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি পাওয়া যাচ্ছে।
ঈদ উপলক্ষে নতুন আসা ৫৫টি মডেলের মধ্যে রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ৪১টি ফ্রস্ট ও আটটি নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। ডিপ ফ্রিজারে নতুন এসেছে ছয়টি মডেল। ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটরের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মডেল এসেছে মজবুত টেম্পারড গ্লাস ডোরের রেফ্রিজারেটর। রেফ্রিজারেটরের দরজায় ব্যবহার করা হয়েছে নয় লেয়ার ভিসিএম ডোর। ফলে সহজে মরিচা ও দাগ পড়ে না। এছাড়া ডাইরেক্ট ইভাপোরেটিভ কুলিং সিস্টেম ফ্রিজকে ঠাণ্ডা রাখে এবং বিভিন্ন খাবারের গন্ধ মিশ্রিত হতে দেয় না। ন্যানো হেলথ কেয়ার প্রযুক্তি ফ্রেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করে। কুলিং প্যাক টেকনোলজির কারণে ফ্রিজকে ঠাণ্ডা রাখা হয় এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও ফ্রিজকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়তি ঠাণ্ডা রেখে খাবার সতেজ রাখে। অ্যান্টি ফাংগাল গ্যাসকেট ব্যবহারের ফলে রেফ্রিজারেটরে ছত্রাক কিংবা ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে না। ওয়ালটন ইনভার্টার ফ্রিজ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে এবং কম ভোল্টেজেও চলে। ওয়াইড ভোল্টেজ রেঞ্জ প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ১৪০ থেকে ২৭০ ভোল্টেজেও ফ্রিজ চালু থাকে। ওয়ালটনে ৮০ শতাংশ রেফ্রিজারেটরের সঙ্গে স্ট্যাবিলাইজার বা ইউপিএস বিল্টইন করা আছে।
ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরে আধুনিক প্রযুক্তি যেমন গ্রিন টেকনোলজি, ন্যানো হেলথ কেয়ার প্রযুক্তি, ইনভার্টার সিস্টেম, ডাইরেক্ট ইভাপোরেটিভ কুলিং সিস্টেম (ডিইসিএস), টেম্পাড গ্লাস, ওয়াইড ভোল্টেজ রেঞ্জ, কুলিং পার্ক, অ্যান্টি ফাংগাল গ্যাসকেট প্রযুক্তি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্রের ব্যবহার, বিএসটিআইয়ের ফাইভ স্টার এনার্জি রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে। ফ্রিজগুলো স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী করে তৈরি। ওয়ালটনের রেফ্রিজারেটরে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০-এ গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। ফলে ফ্রিজ ক্ষতিকারক সিএফসি গ্যাস নিঃসরণ করে না।
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে এরই মধ্যে মিলিয়নেয়ার (১০ লাখ টাকা) পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন কয়েকজন।






