দুর্ভিক্ষ হয় দুই ধরনের? সরব ও নীরব দুর্ভিক্ষ। প্রথমটির কারণ খাদ্যাভাব আর দ্বিতীয়টির মূলে আছে মোটাদাগে খাদ্যস্বভাব, ও খাদ্যজ্ঞানের অভাব। আফ্রিকার দু-একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত পকেট ছাড়া সরব দুর্ভিক্ষের কথা আজকাল খুব একটা শোনা যায় না। তবে সেই অনাদিকাল থেকে নীরব দুর্ভিক্ষ কিন্তু লেগেই আছে। সাধারণত সরব দুর্ভিক্ষ উন্নত দেশে দেখা যায় না, কিন্তু নীরব দুর্ভিক্ষ উন্নত-অনুন্নত উভয়তে বিদ্যমান। নীরব দুর্ভিক্ষে খাদ্যের পর্যাপ্ত জোগান সত্ত্বেও অপুষ্টিজনিত অবস্থা তীব্রতর হতে পারে। মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি যথা আয়রন, আয়োডিন, ভিটামিন-এ ও জিংকস্বল্পতা মানুষকে কুরে কুরে খায়; মানুষ মরে না ঠিকই, তবে বেঁচে থাকে মরার মতো।

দুই.

কিছু তথ্য দিয়ে আজকের আলোচনা শুরু করা যেতে পারে। ‘দক্ষিণ এশিয়ার কুহেলিকা’ (সাউথ এশিয়ান এনিগমা) কথাটা কারো অজানা থাকার কথা নয়। এর সারমর্ম হচ্ছে, সাব-সাহারা আফ্রিকার চেয়ে মাথাপিছু আয় বেশি থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ায় অপুষ্টির হার অপেক্ষাকৃত বেশি। এ নিবন্ধে ব্যবহূত পুষ্টিসংক্রান্ত পরিসংখ্যানগুলো একটু পুরনো তবে অতিসাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও যে মূল উদ্বেগের উৎপাটন ঘটাতে সক্ষম হবে, তা মনে হয় না। এতদঞ্চলে অপুষ্টিজনিত অবস্থার জন্য মূলত নারীদের ‘অধস্তন’ অবস্থানকে দায়ী করা হয়। এখানকার পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নারীদের সিদ্ধান্ত নেয়ার, সম্পদ বিন্যাস ও বিতরণ, এমনকি নিজের ও শিশুর শরীরের ওপর অধিকার নেই বললেই চলে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষ যেমন নাচায় তেমনি নাচে, নারীর কী দোষ। তবে আর যা-ই হোক, পুষ্টির ক্ষেত্রে কৃষি খাতের ভূমিকাটা বেশ মজার। একদিকে খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধি করে কৃষি খাতে সবার চোখে ‘নায়ক’ অন্যদিকে পুষ্টির প্রাণ বলে কথিত খাদ্য ও ফসল বহুমুখীকরণে বাধা দিয়ে সে ‘খলনায়ক’। কৃষি খাত নিঃসন্দেহে খাদ্যের লভ্যতা বাড়িয়েছে। সরকারি সূত্র বলছে, মোট খাদ্যোৎপাদন এখন প্রায় চার কোটি টন। তার মধ্যে চালের পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন কোটি টন। যে হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঘটছে, তার চেয়ে বেশি হারে খাদ্যোৎপাদন বাড়ছে। মোটাদাগে, স্বাধীনতার সময় থেকে জনসংখ্যা হয়েছে দ্বিগুণ আর খাদ্য তিন গুণ। খাঁই খাঁই ভাবটা আগের মতো তীব্র নয়। তবে যারা দেশে খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আনন্দের ঢেকুর তুলছেন, বাজাচ্ছেন ডুগডুগি, তাদের উদ্দেশে হালকা মেজাজের একটা ছড়া উপহার দেয়া যেতে পারে;

আছে চাল, নেই ডাল,

আছে ধান গাছ, নেই মাছ,

হচ্ছে মোটা, সারে না রোগটা,

সব দেখে ভারী হয় মনটা।

তিন.&dquote;&dquote;

দক্ষিণ এশিয়ায় অপুষ্টি (পাঁচ বছরের নিচে শিশু)

সূত্র: সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিবেদন

 

উপরের সারণি বলে দেয়, অপুষ্টি হলো দক্ষিণ এশিয়ার দুর্দিন। তবে সুদিনের সংবাদ না দিলেই নয়। যেমন সবুজ বিপ্লবের পিঠে চড়ে খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধি করে সরব দুর্ভিক্ষের ছায়ার বাইরে অবস্থান নিতে পেরেছে বলে সম্ভবত আজকাল সরব দুর্ভিক্ষের কথা খুব একটা শোনা যায় না। কিন্তু ওই যে একটু আগে বললাম, নীরব দুর্ভিক্ষ চলছেই। নীরব দুর্ভিক্ষ হলো অপুষ্টি ও মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি যা নীরবে এবং অনেকটা নিভৃতে, মানুষ মারে। বিশেষত সেই মানুষগুলোকে মারে, যারা হচ্ছে শিশু। ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে’ যদি সত্য হয়, তবে নীরব দুর্ভিক্ষ তথা অপুষ্টি যে শিশুর পিতাকে হত্যা করছে, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকার কথা নয়। শিশুর অপুষ্টি মানে একটা জাতির অপুষ্টি। বাংলাদেশে পাঁচ বছরের নিচে শিশুর (মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ বা প্রায় দেড় কোটি) ৪১ ভাগ বেঁটে বা বামুন যাদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম। অতিসাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, এ হার ৩৫-৩৭ শতাংশ। বামুন বা বেঁটেদের ধীশক্তি বা বুদ্ধিমত্তা খুব নিচের দিকে থাকে এবং তা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও ক্ষীণ। এর পেছনের কারণ বহুবিধ যেমন— আন্তঃপ্রজন্ম দারিদ্র্যের পুঞ্জীভূত প্রভাব, অপুষ্ট মা, শিশু বয়সে বারবার অসুস্থতা ইত্যাদি। অন্যদিকে তাদের শেখার ক্ষমতা কম থাকে বিধায় উৎপাদনশীলতা ও মজুরি কম। এরা সমবয়সীদের তুলনায় ৪-৬ ইঞ্চি খাটো থাকে এবং ২০-৩০ শতাংশ আয় কম করে। মজুরি কম মানে অপুষ্টি। একই বয়সের অন্যদের চেয়ে খর্বকায় শরীরে ডায়রিয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি পাঁচ গুণ বেশি; খর্বিত মগজে সেল কম থাকে এবং সেলগুলোর মধ্যকার সংযোগ দুর্বল থাকর কারণে ধীশক্তি সুষ্ঠুভাবে কাজ করে না। বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ১০ কোটি শিশু এ রকম নীরব দুর্ভিক্ষের শিকার। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসাবিদ্যায় চিত্তাকর্ষক সাফল্যের পথ ধরে কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশু বেঁচে যাচ্ছে (বাংলাদেশে প্রায় ৪০ ভাগ) বটে, তবে প্রশ্ন থাকছে, এসব শিশু কীভাবে বেড়ে উঠবে এবং তারা স্বাভাবিক উৎপাদনশীল জীবন চালাতে পারবে কিনা। কম ওজনের শিশুর অনেক রকম ঝুঁকি থাকে।

চার.

অর্থনীতিবিদরা খুব সিরিয়াস শ্রেণী। পারত ঠাট্টা-মশকরা, চুটকি পছন্দ করে না। অভিযোগ আছে, পরিসংখ্যানের চাদর গায়ে এরা শুধু সংখ্যার পেছনে ছোটে, ব্যাখ্যার পেছনে খুব কম যায়। আমি সেই শ্রেণীর নই বলে অনেকের জানা পুরনো সেই গল্পটা, যা আজকের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক, স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল (খুব মোটা) ও বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল (খুব পাতলা) ছিলেন হরিহর আত্মা। এ দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যকার আলাপ শুনুন:

চার্চিল: বার্ট্রান্ড, তোমাকে দেখলে পৃথিবীসুদ্ধ মানুষ ভাববে, ব্রিটেনে দুর্ভিক্ষ লেগেই আছে, অথচ আমাদের কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই।

বার্ট্রান্ড: তুমি ঠিকই বলেছ উইনস্টন। তবে তারা এও ভাববে যে, আমি যদি দুর্ভিক্ষের চিহ্ন হয়ে থাকি, তো তুমি সেই দুর্ভিক্ষের কারণ।

বিশ্ববিখ্যাত দুই বন্ধুর সংলাপ থেকে কী বোঝা যায়? একটা বিষয় খুব পরিষ্কার: অপুষ্টি সামাজিক বৈষম্যের ইঙ্গিত। কেউ খেতে পায়, কেউ পায় না। আবার সবার সামনে খাবার থাকা মানেই সবার মুখে খাবার নয়। তা হয় না, তা হয় না। এটা সত্যি কথা, সমালোচক বা ভবিষ্যত্দ্রষ্টা নিন্দুকের মুখে ছাই ছিটিয়ে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল বা উন্নয়ন ধাঁধায় উন্নীত হয়েছে। এ সংবাদ একদিকে যেমন সুখকর, তেমনি পুষ্টিজনিত বৈষম্যের অনড় অবস্থান অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশের বিদ্যমান পুষ্টিজনিত অবস্থা তার কিছু অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, বিশেষত কৃষির সার্বিক উন্নতি যে মাত্রায় ঘটেছে, ঠিক সেই মাত্রায় পুষ্টির উন্নয়ন ঘটেনি। কৃষি যে শুধু খাদ্য দিচ্ছে পুষ্টি দিচ্ছে না, সে বিতর্ক প্রথম আলোচনার আলোয় নিয়ে আসে Leveraging Agriculture for Nutrition in South Asia (LANSA) নামে একটা গবেষণা প্রকল্প। ব্রিটিশ অর্থায়নে (ডিএফআইডি) পরিচালিত এ প্রকল্প ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে বিদ্যমান কৃষি ও পুষ্টির মধ্যকার সম্পর্কের সন্ধানে নিয়োজিত। দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান অবস্থা অনেকটা ‘সিরাজদ্দৌলাহ’ নাটকের বিখ্যাত সংলাপের মতো, ‘উপায় নেই গোলাম হোসেন।’ এখানকার দেশগুলো অকল্পনীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে সত্যি, তবে এর পাশাপাশি অবর্ণনীয় অপুষ্টির অসহনীয় অবস্থান নিয়ে যেন সুখের সায়রে দুঃখের ভেলা। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবিকার প্রধান উৎস কৃষি ও কৃষি উৎপাদন মোটামুটি সন্তোষজন হারে বাড়া সত্ত্বেও এ দক্ষিণ এশিয়াতেই অপুষ্টির অনুপাত পৃথিবীর সর্বোচ্চ! মজার ব্যাপার, বাংলাদেশে গরিবের ঘরে যেমন কম ওজনের শিশু রয়েছে, তেমনি ধনীর ঘরে আছে বেশি ওজনের শিশু এবং এরা উভয়ই অপুষ্টিতে ভুগছে। রাস্তায় বেরোলে খাবারের অভাবে অস্থি-চর্মসার মানুষের যেমন দেখা মেলে, খাদ্য আধিক্যে থাকা মেদ ও ভুঁড়িসর্বস্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ। আজকাল ধনী-গরিব সব দেশেই ওবেসিটি বা স্থূলতা একটা বড় ধরনের অপুষ্টিজনিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর সব দেশে চার্চিল যেমন আছে, তেমনি আছে বার্ট্রান্ড রাসেল।

পাঁচ.

খাদ্যোৎপাদনে, এমনকি স্বাস্থ্যসেবায় প্রশংসনীয় কৃতিত্ব অর্জন সত্ত্বেও বাংলাদেশের পাঁচ বছরের নিচে শিশুর ৩৫-৪০ শতাংশ খর্বকায় এবং ৬-৫৯ মাস বয়সীদের অর্ধেক অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত। বিশ্বখাদ্য সংস্থা মনে করে, বাংলাদেশের পুষ্টিজনিত অবস্থা সংকটময়। এমনই যখন অবস্থা, তখন LANSA গবেষণা থেকে বেশ ক’টা গুরুত্বপূর্ণ নীতিসংক্রান্ত টিপস বেরিয়ে আসে: ক. চালের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন, যেহেতু উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও শিশুর ওজন বৃদ্ধি সম্পর্কিত; খ. স্বাস্থ্যসেবা সুযোগে প্রবেশগম্যতা, বিশেষত স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও স্বাস্থ্যজ্ঞান বৃদ্ধি জরুরি; গ. বহুবিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতেই হবে, যদিও মাথাপিছু আয় পুষ্টি উন্নয়নে দরকারি অথচ যথেষ্ট শর্ত নয়; ঘ. খাদ্যনীতি ও পুষ্টিসংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে খাদ্য বহুমুখিতার সংযোগ স্থাপন, অর্থাৎ মনোক্রপিং পদ্ধতি থেকে ফসল বহুমুখীকরণ করতে হলে অবকাঠামো ও প্রণোদনার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সাধন করতে হবে এবং সবশেষে ঙ. শিশুদের জন্য বিস্তৃত পুষ্টি কার্যক্রম, সচেতনতা সৃষ্টি ও জাতীয় স্লোগান হিসেবে পুষ্টির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি ধানে ধন্য করেছে, কিন্তু ধূসর রেখেছে পুষ্টিজনিত অবস্থা। কৃষি নীতিমালার অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত পুষ্টিজনিত খাবারের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিশেষত ইদানীং বহুমূত্র ও হূদরোগের প্রকোপ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে।

ছয়.

LANSA গবেষণা দেখাচ্ছে, কৃষিতে ও পুষ্টিতে নারীর ভূমিকা বেশ বড় মাপের। এত পুরুষ সদস্যদের অভিবাসনের পরিপ্রেক্ষিতে নারীরা ক্রমবর্ধিষ্ণুভাবে কৃষিতে অবদান রাখছে; অন্যদিকে বসতভিটায় গবাদিপশু পালন কিংবা শাকসবজি উৎপাদনে মূলত তারাই জড়িত। অনেক সময় কৃষিতে (বিশেষত মাঠে) নারীদের সম্পৃক্ততা শিশু পরিচর্যা ও পুষ্টির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে (যেমন তুলা তুলতে গিয়ে গর্ভবতী নারীদের ব্যয়িত অতিরিক্ত শক্তি জোগান দিতে ব্যর্থ হয়)। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, নারীদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে পুষ্টির সম্পর্ক রয়েছে। শিশুর পুষ্টি আসে মায়ের পুষ্টি থেকে। একটি শিশুর জন্য প্রথম এক হাজার দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদঞ্চলের মায়েরা খানার সদস্যদের সবার শেষে ‘উচ্ছিষ্ট’ খাবার গ্রহণ করে। শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে নারীদের ক্ষমতায়ন যে জরুরি, বোধ করি তা বলা বাহুল্য।

সাত.

সব মিলিয়ে খুশির খবর এই যে, দক্ষিণ এশিয়ায় আপাতত সরব দুর্ভিক্ষ নেই। এবার নীরব দুর্ভিক্ষ নিয়ে সরব হওয়ার কথা বলেছে LANSA। বলছে, একমাত্র কৃষি পারে পুষ্টি-অপুষ্টির ব্যবধান মেটাতে। যে কৃষি নীতিমালা ‘নীরব দুর্ভিক্ষ’ ঘটায়, তার নির্বাসন দাও আর যে কৃষি ভারসাম্য বজায় রাখে, তাকে আলিঙ্গন করো। সুতরাং নীরব দুর্ভিক্ষ ঠেকাতে পুষ্টিবান্ধব নতুন কৃষিনীতির বিকল্প যে আপাতত নেই, এ কথাটা যত তাড়াতাড়ি বুঝব ততই মঙ্গল। কারণ অপুষ্টি মানে নীরব দুর্ভিক্ষ।

 

লেখক: সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়