১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের শহরগুলোয় পরিবেশ দূষণের কারণে বছরে ৬৫০ কোটি ডলারের (৫৪ হাজার কোটি টাকা) ক্ষতি হয়, যা ২০১৫ সালের জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। শহরের পরিবেশ দূষণজনিত কারণে বছরে ৮০ হাজার লোকের মৃত্যু হয়, যা মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশ। অনেকের অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এর কয়েক গুণ বেশি। Enhancing opportunity for clean & Resilient Growth in Urban Bangladesh প্রতিবেদনে শহরগুলোয় মানুষের জীবনমানের ক্ষতির কথাই শুধু বলা হয়েছে। আমরা হিসাব করে দেখেছি, ঢাকা নগরীর নদ-নদীগুলোর দূষণের কারণে ঢাকাসহ এর আশপাশের কয়েকটি জেলায় আমরা বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি মাছ থেকে বঞ্চিত হই।
বাংলাদেশের সবটাই এখন দূষণে পরিপূর্ণ। শহরাঞ্চলের নদ-নদীগুলো দুর্গন্ধময় বিষাক্ত শিল্পবর্জ্যে পূর্ণ গ্রাম ও বনভূমিতে লাগানো হয়েছে নিষ্ফল বিজাতীয় গাছ। গ্রামাঞ্চলের নদ-নদীগুলো মরা, যেখানে আগে বৈশাখেও হাঁটুজল থাকত। বিল ও জলাভূমিগুলো অতি নিষ্কাশনে শুষ্ক। এখন শুকনো মৌসুমে সারা দেশে উত্পন্ন হয় ফসল, খালে ও বিলে, এমনকি নদীতেও যেখানে হাঁটুজল আর নেই। বর্তমানে জলাভূমিগুলো শুকিয়ে ফেলে ধান চাষ করা হচ্ছে। নদীগুলোকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে ইজারা দিয়ে জেলে সম্প্রদায়কে বিতাড়িত করা হয়েছে। বাংলাদেশ আগে জলময়, বনময়ও ছিল। তবে আগের যতসব নদী আর খাল-বিল তাদের অনেকগুলোই এখন মৃত। প্রাকৃতিক কারণে নয়, মানুষের কারণে এসব মৃত। নদী দখল, দূষণ ও ভরাট হচ্ছে।
নদী ভরাট। যে কেউ বলবেন, বাংলাদেশের নদ-নদীগুলো ক্রমেই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আগে বলা হতো, নদীর একূল ভাঙে ওকূল গড়ে। তাও যে হচ্ছে না তা নয়, তবে নদ-নদীগুলোর উজানে মানবসৃষ্ট বাধার জন্য নদীর প্রবাহ কমে যাচ্ছে, নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলে ষাটের দশকে দেয়া বেড়িবাঁধ স্বাভাবিক নদীপ্রবাহ নষ্ট করেছে। ফলে নদীমুখ ভরাট হয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। সারা দেশে অনেক নদীতে পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁধ ও স্লুইস গেট নির্মাণ এবং রাস্তা তৈরি করে নদীপ্রবাহে বাধা দেয়া হয়েছে ও ভরাটের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের দেয়া ফারাক্কার বাঁধের কারণে পদ্মা নদী বালিতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা নদী ভরাট হওয়ার কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীগুলো মরে যাচ্ছে। এভাবে ভারত বাংলাদেশের অভিন্ন কিছু নদ-নদী যথা তিস্তা, মহানন্দা, ধরলা, দুধকুমার, গোমতী ইত্যাদির অনেকগুলোতে ব্যারাজ ও ড্যাম নির্মাণ করে পানি সরিয়ে নেয়ায় বাংলাদেশের অংশে ওইসব নদ-নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের সমতলে উজানের প্রায় ১৫ গুণ এলাকার বৃষ্টির পানি আসে, এই সাথে আসে বছরে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন টন পলি। এই পলির একটি অংশ প্লাবনভূমির ওপর পড়ে জমির উর্বরশক্তি ও উচ্চতা বাড়ায়, বাকিটা সমুদ্রে পড়ে। কিন্তু এখন উজানে পানি সরিয়ে নেয়ার কারণে বর্ষা শেষে হঠাৎ নদীর পানি কমে যায়। ফলে পলির অনেকাংশ সমুদ্রে যেতে না পেরে নদীর প্রবাহপথে জমা হয়ে যায়। এভাবেই নদ-নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য ছোটবড় শহরের নদ-নদীগুলো ভরাট হচ্ছে আবর্জনায় ও শিল্প বর্জ্যে। শহরের যত কঠিন বর্জ্য সরাসরি অথবা শেষমেশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। এতে নদী তার নাব্যতা ও নিষ্কাশনক্ষমতা হারাচ্ছে। ঢাকার সদরঘাটের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর তলা প্রায় তিন মিটার চামড়া, প্লাস্টিক, কাপড়, ধাতু, কাচ ও বিল্ডিং ভাঙা আবর্জনা দিয়ে পূর্ণ। এ নদীতে উজান থেকে আসা পলির পরিমাণ খুবই কম। ঢাকা শহরের বালু, তুরাগ ও টঙ্গী নদী ক্রমেই আবর্জনায় বুজে যাচ্ছে।
নদী দখল। বাংলাদেশে কোনো আইনের শাসন আছে বলেই প্রতীয়মান হয় না। কারণ দুর্বৃত্তরা সারা দেশের নদীর তলদেশ পর্যন্ত দখল করে নিচ্ছে। ঢাকা মহানগরীর চতুষ্পার্শ্বসহ সারা দেশের নদী ও জলাভূমিগুলো জনগণের মিলিত সম্পত্তি যা খাসজমি। সমাজের একটি বিশেষ মহল এই খাসজমিগুলো ক্রমেই দখল করে নেয়ায় জনগণ তাদের সম্পদের ওপর অধিকার তথা ঐতিহাসিকভাবে প্রাপ্ত সুবিধা হারিয়ে ফেলছে। দেশের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এবং মিডিয়া এ দখলবাজদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট সোচ্চার হলেও জনগণের সম্পত্তি দখল রোধ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ঢাকা ও এর আশপাশের নদ-নদীগুলোর পাড়ের খাসজমিগুলো দখলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই কার্যকর হচ্ছে না। সম্প্রতি রাজউক প্রণীত ‘ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান’ সিএস ম্যাপের পরিবর্তে আরএস ম্যাপের ভিত্তিতে তৈরি করায় পুরো পরিকল্পনাই ভূমিদস্যু ও অবৈধ দখলকারীদের পক্ষে গেছে।
নদী দূষণ। নদী ও জলাভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, ডাঙা ও জলের জীববৈচিত্র্য ও জীবনচক্র রক্ষা করে, মানুষের খাদ্য জোগায়, যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভূমিকা রাখে। কিন্তু শহর ও মফস্বলে নদী দূষণ এখন একটি সর্বগ্রাসী সমস্যা। সর্বস্তরের নাগরিকদের সামগ্রিক সচেতনতার অভাব ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা না করে একশ্রেণীর মানুষের হঠাৎ আয়বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা নদী দূষণের অন্যতম কারণ। শহরাঞ্চলে এর প্রধান কারণ শিল্প কল-কারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য নিক্ষেপ। গ্রামাঞ্চলে কারণ কৃষিতে ব্যবহূত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বিষ। এসব মিলিত দূষণ সারা দেশে বছরে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার মাছ উৎপাদন রোধ করে। ঢাকার আশপাশের তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালি ও টঙ্গী নদীর পানি চরমভাবে বিষাক্ত ও আলকাতরার মতো কালো। এ বিষাক্ত বর্জ্য নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এলাকার নদ-নদীগুলো দূষিত করে জলজ প্রাণিসম্পদ বর্জিত করেছে ও নিকটবর্তী মেঘনা নদীর মাছ প্রায় নিঃশেষ করে দিয়েছে।
অতি উত্তোলন ও অতি নিষ্কাশন। বাংলাদেশের ছোট নদ-নদীগুলো যে বিশেষ দুটি কারণে মরে যাচ্ছে তা হলো অতি উত্তোলন ও অতি নিষ্কাশন। সত্তরের দশকে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির জোয়ার বয়ে যায়। সারা দেশের রাস্তার ধারের বরোপিটগুলো গমের মাধ্যমে কেটে ফেলার মহোৎসব হয়। এ সময় নদীর পানি লো লিফট পাম্পের সাহায্যে উত্তোলন করে সেচ দেয়া হয় এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। ফলে অচিরেই ছোট ছোট নদ-নদীর পানি অতি উত্তোলিত হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে। আশির দশকে নতুন নতুন খাল খনন কর্মসূচিতে ভাটা পড়লেও পুরনো খালগুলোর সংস্কারের নামে জলাভূমিগুলো নিঃশেষ করে ফেলা হয়। এভাবে জলাভূমির ভেতরে মাছের আশ্রয়স্থলগুলো শুকিয়ে ধানক্ষেতে পরিণত হয়।
বাংলাদেশে নদী ব্যবস্থাপনা বা সংরক্ষণ বিষয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা আছে বলে প্রতীয়মান হয় না। ভূমি মন্ত্রণালয় যেহেতু জমিজমার রেকর্ড রাখে ও খাসজমি বিলিবণ্টনের দায়িত্বপ্রাপ্ত, সেহেতু এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিভূ হিসেবে ডেপুটি কমিশনাররা বিনা দ্বিধায় খোলা নদী-নালা ও জলাভূমি ইজারা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ আইন অনুযায়ী তারা কেবল বদ্ধ জলমহালগুলোই ইজারা দিতে পারেন। অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষও তাদের জাহাজ চলাচলের জন্য নদীর ওপর দাবিদার। অথচ বাংলাদেশ সরকারের রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী নদী ব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড, যা পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন ২০০০-এর ৬ ধারায় বিবৃত করা হয়েছে। কিন্তু এ আইন অনুযায়ী কোনো বিধিমালা তৈরি না হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ধরা যায় না, পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো দায়িত্বও গ্রহণ করে না। ফলে নদী ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। আইন অনুযায়ী দ্রুত বিধিমালা তৈরির মাধ্যমে আইনের প্রয়োগ, নদীকে অবৈধ দখলমুক্ত করা, নদী দখলকারীদের শাস্তি ও নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ঠিক রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা করা যেতে পারে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নদী দখল রোধ ও বালি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণের জন্যও দায়বদ্ধ হতে হবে। নদীতে অবাধে পয়ঃ ও শিল্পবর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ফলে প্রতিটি শহর ও বন্দরের আশপাশের নদ-নদী চরমভাবে দূষিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুযায়ী ‘পরিবেশ অধিদপ্তর’ গঠন করা হয়েছে, কিন্তু পর্যাপ্ত লোকবল ও ক্ষমতা প্রয়োগের সীমাবদ্ধতার কারণে এ অধিদপ্তর কোনোই কাজ করতে পারছে না। তাছাড়া দূষণকারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে মহাপরিচালকের অনুমতি লাগে বিধায় তিনি একা সারা দেশ সামলাতে পারেন না। তাই নদীর দূষণ রোধে সংশিষ্ট সব স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতাবান করা, নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার পাঠ্যসূচিতে নদীসংক্রান্ত বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষ শিক্ষাক্রম চালু করা, নদীতে মাছ ধরার বিধিনিষেধগুলো প্রতিপালন করা, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের পরিবেশ-সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের স্থাপনাগুলোর বর্জ্য দূষণমুক্ত করতে বাধ্য করা ইত্যাদি পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
বাংলাদেশ জনগণের নিজস্ব উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি, স্থানীয় প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ গ্রহণে চাপ সৃষ্টি করা, দূষণ যাতে বৃদ্ধি না পায় তার চেষ্টা করা, নদীর স্বাভাবিক গতিতে বাধা না দেয়া, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে নদীতে মাছ না ধরা ইত্যাদি কাজ চলতে পারে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত ‘রামসার কনভেনশন ১৯৭১’ ও ‘রিও কনভেনশন ১৯৯২’ স্বাক্ষর করায় ভূমি ও জলজ পরিবেশ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ কনভেনশন দুটির প্রথমটি জলজ পাখির আবাস সংরক্ষণসংক্রান্ত, যা নদী ও জলাভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষার লক্ষে অতি প্রয়োজনীয়। দ্বিতীয়টি ভূমি ও জলের সব প্রজাতির উদ্ভিদ ও জীবের বৈচিত্র্য সংরক্ষণসংক্রান্ত, যা একই লক্ষে জরুরি। বাংলাদেশে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের টাঙ্গুয়ার হাওড় ও সুন্দরবন এলাকা ‘রামসার’ সাইট হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। হাকালুকি হাওড় ও সুন্দরবনকে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ‘পরিবেশগত স্পর্শকাতর এলাকা’ ঘোষণা করায় ওই দুই এলাকার নদী ও জলাভূমিগুলো সংরক্ষণের বেলায় সরকারি দায়বদ্ধতা প্রকাশ পায়। আমাদের দেশে আরো অনেক জলাভূমি ‘রামসার সাইট’ হিসেবে এবং ‘পরিবেশগত স্পর্শকাতর এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।
বাংলাদেশের নদ-নদীগুলো রক্ষায় পাহাড়, সমতল, মোহনা ও আন্তঃদেশীয় নদ-নদীগুলোকে পৃথকভাবে বিবেচনায় এনে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা লক্ষ করি, সাগরের মাছ মোহনায় এসে, মোহনার মাছ উজানে গিয়ে, নদীর মাছ বিলে উঠে, সমতলের মাছ পাহাড়ের পাদদেশে ও পাহাড়ের মাছ ঝরনার কাছাকাছি ডিম ছাড়ে। অতএব কোনো একটি এলাকার নদী মরে গেলে বা দূষিত হয়ে গেলে ডাঙায় বসবাসকারী মানুষ ও পশুসহ জলজ জীবের বহুমাত্রিক ক্ষতির কারণ হয়। তাই দেশের রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে নদী রক্ষা বিষয়ে বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে ভোট প্রার্থনা প্রয়োজন। বাংলাদেশের নদী ও জলাভূমি বাঁচানোর জন্য জনপ্রতিনিধিরা সংসদে গিয়ে ‘নদী, জলাভূমি দখল ও দূষণ প্রতিরোধ আইন’ জারি করবেন।
লেখক: প্রকৌশলী;
সাবেক মহাপরিচালক, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা






