শেয়ারবাজার কি বাজার, সেটা এই দেশের লোকেরা কখনো বুঝত না— অন্তত পাকিস্তানের সময়কালে। বোঝার চেষ্টাও তারা করেনি; না করার কারণ— যে অর্থ-বিত্ত থাকলে মানুষ বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলোতে বৈচিত্র্যকরণ আনে, সে অর্থ-বিত্ত এদের ছিল না। অন্যদিকে যে জ্ঞান লাগে এ বাজারে বিনিয়োগ করে উপকার লাভে, সেটারও অভাব ছিল। এমনকি শিক্ষিত লোকদের মাঝেও। মধ্যবিত্ত শ্রেণী বলে একটা ছোট্ট সমাজ ছিল বটে, যারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাতে পারত, কিন্তু তারা সেই আগ্রহ দেখায়নি অনেকটা প্রয়োজনবোধ করেনি বলে। এই ছোট্ট মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকেরা ছিল সরকারি চাকরিজীবী এবং সামান্য সংখ্যক ব্যবসায়ী, তা-ও ছোট ব্যবসায়ী। এরা ভোগ-আরাম ইত্যাদির ক্ষেত্রে ভালোই ছিল। উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে এরা জমি কিনত। অধিকাংশ পুরো আয়টাই ভোগে ব্যয় করত। অন্যদিকে শেয়ারবাজারের ব্যবহার সম্পর্কেও তখনকার নীতিনির্ধারকরা অতটা আগ্রহী ছিল না। অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর এবং ভূমির মালিকানা ছিল ব্যক্তিপর্যায়ে। কৃষিতে যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হতো, সেজন্য অন্যদের থেকে পুঁজি গ্রহণ প্রয়োজন হতো না। ব্যবসাও চলত ব্যাংকঋণে। শিল্প-কারখানা যা হয়েছিল, সেগুলোও স্থাপন হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগে এবং বিদেশী সাহায্যে। ফলে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে অনেক উৎস থেকে পুঁজি নিয়ে শিল্প স্থাপনে ব্যয় করার এ ধারণাটাই উচ্চ-বিত্তের তথা বণিক শ্রেণীর মননে গভীরভাবে প্রোথিত হয়নি। হ্যাঁ, শেয়ারবাজার একটা তখনো ছিল, পাকিস্তানের করাচি-বেজড। ঢাকায়ও একটা স্টক এক্সচেঞ্জ— যেখানে কোম্পানির স্টক লেনদেন হবে— ছিল বটে, তবে কেউ মনোযোগ দিত না। যে কোম্পানিগুলো করাচিতেও তালিকাভুক্ত ছিল, তার কিছু সংখ্যক ঢাকার শেয়ারবাজারেও তালিকাভুক্ত ছিল। বর্তমানে মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অফিসই ছিল তখনকার স্টক এক্সচেঞ্জেরও অফিস।
তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের স্টক এক্সচেঞ্জটি স্থাপিত হয় ১৯৫৪ সালে নারায়ণগঞ্জে। পরে তা ১৯৫৬ সালে বর্তমানের ৯/এফ মতিঝিলে স্থানান্তর হয়। প্রথমে নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ, পরে নাম হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। এ স্টক এক্সচেঞ্জের মালিক ছিল ব্যক্তিরা। কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা সরকার কোনো অংশের মালিক ছিল না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তখনকার সরকারি মালিকানায় বিনিয়োগ কোম্পানি বা পরে আইসিবি এই এক্সচেঞ্জের পরিশোধিত মূলধনে একটা শেয়ারের মালিক ছিল। স্টক এক্সচেঞ্জের পরিশোধিত মূলধনে যারা অর্থের জোগান দিয়েছিল, তারাই এর সদস্য হলো এবং এরাই স্টক বা শেয়ার লেনদেন করার অধিকার পেল। সেই অর্থে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ছিল মালিকদের একটা অ্যাসোসিয়েশন এবং এটা ছিল নন-প্রফিট একটা সংস্থা, যা ব্রিটিশ আমলের সোসাইটি অ্যাক্টের অধীনে নিবন্ধনকৃত। স্টক এক্সচেঞ্জের মালিক সদস্যদেরকে বলা হতো ব্রোকারস। তারা বিনিয়োগকারীদের বা স্টকের ক্রেতা-বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে একটা কমিশনের বিনিময়ে ব্রোকিং সেবা প্রদান করত। আর ব্রোকারদের ট্যাক্সকে বলা হতো ব্রোকারেজ, যা আজো তা-ই বলা হয়। আদিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিশোধিত মূলধন উল্লেখ ছিল ৫ লাখ টাকা।
এই ৫ লাখ টাকা সমহারের সাবস্ক্রাইব করেছিল ২৫০ জন ব্যক্তি বা সদস্য। তবে অনেক দিন পর্যন্ত এই পরিশোধিত মূলধনের একটা অংশ অপরিশোধিত ছিল, এর অর্থ ছিল সদস্য সংখ্যা ২৫০ জনের থেকে কম ছিল। পরবর্তীতে স্মরণমতে ২০০০ সালের কিছু আগে বা পরে যে সদস্যপদগুলো শূন্য ছিল, সেগুলোর বিপরীতে অনেকটা অকশনে বা নিলামের মাধ্যমে সদস্যপদ বিক্রয় করে ২৪০ জন পূর্ণ করে। স্মরণমতে শূন্য সদস্যদের সংখ্যা ছিল ২০ কি ২৫টা। ওই ২০-২৫টা সদস্যপদও একসঙ্গে বিক্রয় করা হয়নি। স্মরণমতে দুই দফায় বিক্রয় করা হয়।
এ সদস্যপদগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিনে নেয় ব্যাংকসহ অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আদি সদস্যদের মধ্যে পাকিস্তানিদের বা নন-বাংলাদেশীদের সংখ্যা ভারী ছিল। স্বাধীনতার পর এ এক্সচেঞ্জ বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া সদস্যপদগুলো সরকারের হাতে চলে যায়, যেগুলো পরে স্টক এক্সচেঞ্জ খুলে দেয়া হলে সরকার অতি অল্প মূল্যে ধীরে ধীরে অবমুক্ত করে। কিন্তু সরকারের অবমুক্ত করা সদস্যপদগুলো ব্যক্তিশ্রেণীর লোকেরাই কিনে নেয়। ওই সদস্যপদ ধারণ থেকে প্রথম দিকে কমিশন আয়ের মধ্যমে তেমন লাভ হতো না, কারণ স্টক এক্সেচেঞ্জ তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য এবং বেচা-কেনাও হতো ১০-১২ লাখ টাকার শেয়ার। তবে অধিকাংশ সদস্য স্টক ব্রোকিংয়ের পাশাপাশি অন্য ব্যবসাও করত এবং শুধু সদস্যপদের কারণে তারা স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনে একটা রুমেরও অস্থায়ী মালিক ছিল। স্টক এক্সচেঞ্জ চালানোর ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ছিল শূন্য, অর্থাৎ সরকার এ এক্সচেঞ্জ কীভাবে চলছে, এ নিয়ে মাথা ঘামাত না। পুঁজিবাজার থেকে পুঁজি উত্তোলন করে ব্যবসায় লাগানোর একটা ধারণা পাকিস্তান আমল থেকেই চলে আসছিল। এবং সেই তোলার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারি সচিবালয়ে একটা অফিস ছিল, নাম ছিল অফিস অব দ্য কন্ট্রোলার অব ক্যাপিটাল ইস্যু। সরকারের একজন যুগ্ম সচিব এ অফিসের প্রধান ছিল এবং তাকে বলা হতো সিসিআই বা কন্ট্রোলার অব ক্যাপিটাল ইস্যু। বাজার থেকে পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় লাগানোর ধারণাটা কিছুটা গুরুত্ব পায় আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, আর ওই দশকের শেষ দুই বছরে সরকারও তার লাভজনক কয়েকটি বিশাল প্রতিষ্ঠান থেকে ওইগুলোর মূলধনের একটা অংশ শেয়ারবাজারের মাধ্যমে জনগণের কাছে বিক্রি করে।
ওই সময় ছিল জেনারেল এরশাদের শাসনকাল। শেয়ারবাজারের উপকারার্থে যেটা জেনারেল সাহেব বুঝলেন, সেটা পরবর্তীতে কোনো কথিত গণতান্ত্রিক সরকার বুঝতে পারল না। সরকারের কোম্পানিগুলো থেকে আরো কিছু শেয়ার জনগণের কেনার জন্য অফ-লোড হয়েছিল ২০০৭-০৮ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। ২০১০-এ রেগুলেটরের নির্লিপ্ততার কারণে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নামে। হাজার হাজার বিনিয়োগকারী, যারা শেয়ারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখে ২০০৯ ও ২০১০-এ বাজারে প্রবেশ করেছিল; তারা বিনিয়োগের প্রায় সবটুকুই হারিয়েছিল। ওই ধস থেকে লাভবান হয়েছিল যারা অনেক আগ থেকেই বাজারে ছিল। তাদের থেকেও বেশি লাভবান হয়েছিল একশ্রেণীর উদ্যোক্তা, যারা সুযোগ বুঝে তাদের হাতে থাকা শেয়ারগুলোর সিংহভাগ আনাড়ি বিনিয়োগকারীদেরকে ধরিয়ে দিয়েছিল। তবে ধস থেকে অর্থ হারানোর আঘাতের ব্যাপ্তি ও গভীরতা বেশি ছিল ১৯৯৬-এর শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সময়ে। ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট তখন লিখেছিল ‘ঢাকার রাস্তায় বিনিয়োগকারীদেরকে জবাই করা হয়েছে’। এক শেয়ার কেনার নামে সেই এক অবিশ্বাস্য জনতার দৌড়। যে যে মূল্যেই পাচ্ছিল শেয়ার নামের কোম্পানিগুলোকে কিনে নিচ্ছিল। ঢাকার মতিঝিলে রাত্র ১০টা পর্যন্ত খোলা জায়গায় শেয়ার বেচা-কেনা হয়েছিল। অভিজ্ঞ লোকেরা সেদিন তাদের শেয়ারগুলোকে ধরিয়ে দিয়েছিল অতি উৎসাহী অর্বাচীন সেই লাখ লাখ কথিত বিনিয়োগকারীকে। তাদেরকে রক্ষা করার কেউ ছিল না। রেগুলেটর যে এসইসিকে গঠন করা হয়েছিল সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য, সে এসইসি শুধুই চেয়ে চেয়ে দেখল। ওইসব ভুল করা লাখ লাখ নতুন আসা বিনিয়োগকারীকে রক্ষার কোনো চেষ্টাই করল না।
২০১০ সালে এমনকি রেগুলেটর এসইসি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে শেয়ারবাজারে যারা নেকড়ে বাঘের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল, তাদের পক্ষেই কাজ করেছিল। অজ্ঞতা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় শত্রু। কখনো কথিত শিক্ষিত লোকদেরকে শেয়ারবাজারে আসতে উৎসাহ দিতে নেই; ওরা যদি আর্থিক বিষয়ে বা বিনিয়োগ বিষয়ে কোনো জ্ঞানের অধিকারী না হয়। শুধু শিক্ষিত লোকদের পক্ষে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে মুনাফা করা কঠিন কাজই বটে। যারা অভিজ্ঞ আর্থিক বিজ্ঞানের সূত্রগুলো জানে, বোঝে, সর্বোপরি বাজারের গতিবিধিকে বুঝতে পারে, তারাই একমাত্র সক্ষম এ বাজার থেকে অনেক অর্থ উপার্জনের। ২০১০ সালে সরকার চাইলে তার শেয়ারগুলোকে অনেক মূল্যে বিক্রয় করতে পারত। সেই সময় কেবল শেয়ারের সরবরাহ বাড়ালে কেলেঙ্কারির মাত্রাটা কিছুটা হলেও স্থিমিত হতো। ২০১০-এ বেচেনি। আমলারা বাধা দিয়েছে। অনেক কু-যুক্তি দেখিয়েছে। তারপর অনেকবার অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এ মাসে না ওই মাসে শেয়ারগুলো বেচা হবে, কিন্তু সত্য হলো কোনো দিনই বেচা হয়নি। এরই মধ্যে আট বছর গত হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রীও এখন আর শেয়ার বিক্রয়ের কথা বলেন না। শেয়ারবাজারের সংস্কার চেয়ে আমি অনেকের কাছে বৈরী হয়েছি। ১৯৮৮-১৯৯৮ দশকের কথা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এখন পূর্ণভাবে ব্রোকার-মালিকদের নিয়ন্ত্রণে। ব্রোকাররাই শেয়ার কেনা-বেচার এজেন্ট, তারাই আন্ডার রাইটার বা অবলেখক, আবার তারাই ইস্যু ম্যানেজার। এক্সচেঞ্জের একটা গভর্নিং বডি ছিল বটে, যেখানে সব সদস্যই সেই মালিক ব্রোকাররা। ১৯৯৬-এর বাজার কেলেঙ্কারির পরই কেবল সরকারের উচ্চ মহল বুঝতে পারল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সংস্কারের প্রয়োজন। যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন বলে অনেকে এক দশক ধরে বলে আসছিলেন, সেই সংস্কারগুলো, মূল্য সংস্কার বুঝতে পারল ঠিকই; তবে অনেক দেরিতে। পরবর্তীতে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে আর্থিক সহায়তায় এবং ওই সহায়তার শর্ত হিসেবে অনেক সংস্কারই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তথা সমগ্র পুঁজিবাজারে এসেছে, লক্ষ্য বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা। আজকে যে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের প্রক্রিয়া চলছে এটা ওই একগুচ্ছ সংস্কারেরই অংশ। আমি অবশ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজড হবে এমনটি ভাবেনি। তখনো এ ধারণাটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেনি। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের ধারণাটা এসেছে ২০০০-এর পর। এত দিনে মাঠে-ময়দানে সংস্কার চেয়ে আবারো সংগ্রাম বন্ধ হয়ে গেছে। আমি এখন যা চাই, তা হলো লেখালেখি এবং সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে।
দুই কারণে আমি শেয়ারবাজারের সংস্কার ও প্রসারতা চেয়েছি। এক. বাজার অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদের পুঁজির জন্য শেয়ারবাজারই একমাত্র জুৎসই বাজার। ব্যাংক অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যবসার প্রসার ঘটে বটে, তবে সেটা একটা পর্যায় পর্যন্ত। অর্থনীতি এগোতে থাকলে শেয়ারবাজারই একমাত্র বাজার হতে পারে, যে বাজার থেকে ব্যবসায়ী পুঁজি সহজে গ্রহণ করা যেতে পারে। বাংলাদেশকে এগোতে গেলে পুুঁজির জন্য এ বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা অবশ্যম্ভাবী। দুই. শেয়ারবাজারের মাধ্যমেই কেবল মধ্যবিত্ত শ্রেণী ব্যবসায়িক লাভের অংশীদার হতে পারে। সম্পদ ধারণের ক্ষেত্রে অন্য বিকল্পগুলো অতি সীমিত। তারা পুঁজি দিয়ে ব্যবসার মালিক হন। এবং ব্যবসা ভালো লাভ করলে তারা আরো উৎসাহ পায় এবং সে উৎসাহ থেকে আবারো বেশি পুঁজির জোগান দেয়।
শেয়ারবাজারকে অন্য অনেক বাজার-অর্থনীতি অতি সফলভাবে সম্পদ বণ্টনের জন্য ব্যবহার করছে। বাংলাদেশ শেয়ারবাজার গঠন এবং সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে যেমন ব্যর্থ হয়েছে, বর্ধিত সম্পদের ভালো বণ্টনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যর্থতা আরো প্রকট। আমি শেয়ারবাজারকে সম্পদ বণ্টনের একটি বাহন হিসেবে দেখি। তবে আমার স্বাপ্নিক শেয়ারবাজার এখনো গড়ে ওঠেনি। আমাদের সিনিয়র আমলা অর্থনীতিবিদরা যেখানে প্রায় চুপ ছিলেন, আমি শেয়ারবাজার নিয়ে বরাবরই সরব ছিলাম। সরব ছিলাম এই বিশ্বাসে যে, এতে অর্থনীতি এবং দেশের জনগণের উপকার হবে।
লেখক: অর্থনীতিবিদ ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ






