‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ বিষয়ের আলোচনায় রণদা প্রসাদ সাহা, জহুরুল ইসলাম, স্যামসন এইচ চৌধুরী কিংবা আকিজ উদ্দীনের নাম খুব সঙ্গত কারণেই আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। সেই আমলে শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তারা যে পথের সূচনা করেছিলেন, পরবর্তী প্রজন্ম সেগুলো এগিয়ে নিচ্ছে। নবীন ও প্রবীণ উদ্যোক্তাদের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানগুলো অভ্যন্তরীণ চাহিদার বড় অংশ মেটাচ্ছে। পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠানই উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে রফতানির মাধ্যমে দেশের জন্য অর্থ ও সুনাম দুটোই বয়ে আনছে। বাংলাদেশ যে ক্রমাগত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে, তার পেছনে এই মানুষগুলোর অবদান মোটেই কম নয়।

উল্লিখিত মানুষগুলো শুরু করেছিল বেশ প্রতিকূল পরিবেশে। এমনকি স্বাধীনতা অর্জনের পরও যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্রে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাটা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবুও বেশকিছু দেশীয় প্রতিষ্ঠান মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করে। তাদের কিছু সংখ্যকের ছন্দপতন ঘটলেও অধিকাংশই দাপটের সঙ্গে আজো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে বিগত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন প্রতিষ্ঠান বাজারে এসেছে, যাদের পারফরম্যান্স আশাজাগানিয়া। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে এমন আরো বেশি উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য।

সফল উদ্যোক্তাদের নিরলস চেষ্টায় দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সফলতা এসেছে। সেগুলোর মধ্যে টেক্সটাইল, ওষুধ, ব্যাংক-বীমা, হাউজিং, রড-সিমেন্ট, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য, এগ্রো, ইলেকট্রনিকস, প্লাস্টিক পণ্য, পেপারসহ অপ্রচলিত অনেকগুলো খাতের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ্য। সাম্প্রতিক প্রবণতা বলছে— উদ্যোক্তাদের মাঝে ‘বড় বিনিয়োগ’ করার সাহস ও সক্ষমতা দুটোই বেড়েছে। পরিবেশ অনুকূল থাকলে তারা যে আরো বড় কিছু করার সামর্থ্য রাখে, সেটা এরই মধ্যে পারফরম্যান্স দ্বারা প্রমাণ করেছে।

এ দেশের মানুষও যে ব্যবসায়ে সত্যিকারের ‘বড় কিছু’ করতে পারে, সেই স্বপ্নটা (খুব সম্ভবত) সর্বপ্রথম স্যামসন এইচ চৌধুরীই দেখতে শিখিয়েছেন। প্রতিষ্ঠাকালে ‘স্কয়ার’ শুধু ওষুধ শিল্পে মনোযোগী থাকলেও এখন তারা দেশের অনেক (প্রসাধনী, কৃষি, ভোগ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, মিডিয়া) খাতে অসামান্য অবদান রাখছে। অর্ধশতাধিক দেশে তাদের উৎপাদিত পণ্য গৌরবের সঙ্গে রফতানি হচ্ছে। মানের ব্যাপারে তাদের অনমনীয় মনোভাব— ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে পুরোপুরি সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে ‘বেক্সিমকো গ্রুপ’ ফার্মাসিউটিক্যালস, টেক্সটাইল, হাউজিংসহ বিবিধ সেক্টরে ভালো করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কিছু উদ্যোগ প্রত্যাশামাফিক ফল না দিলেও, তাদের সফলতা অনেককেই উৎসাহী করেছে নতুন নতুন খাতে বড় মাপের বিনিয়োগ করতে।

ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, আশার মতো এনজিও খাতের বিকাশ মূলত দুভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে। একদিকে দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন স্কিম ডেভেলপ করে তাদের স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করছে। অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। সর্বোপরি আমাদের নিজেদেরও যে উন্নয়ন সংস্থা হতে পারে, সেটা বিশ্ববাসীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। ব্র্যাকের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম দেশ-বিদেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। তাদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘আড়ং’ পোশাকসহ ঘরোয়া দ্রব্যাদির ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে স্বতন্ত্র এক ধারার জন্ম দিয়েছে। আর গ্রামীণ ব্যাংক ‘নোবেল পুরস্কার’ অর্জনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে ভিন্নভাবে।

বসুন্ধরা গ্রুপ হাউজিং খাতের অভিজ্ঞতা অতিদক্ষতার সঙ্গে অন্যান্য শিল্পেও স্থানান্তর করেছে। বলা যায় শুধু ‘পেপার’ দিয়ে তারা বিপ্লবই ঘটিয়ে ফেলেছে। একসময় টিস্যুসহ মানসম্মত কাগজ আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যেত। এখন উল্টো তারাই সেগুলো রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্র্রা অর্জন করছে। তাছাড়া সিমেন্ট, শপিংমল এবং অন্যান্য ব্যবসায়েও তাদের ক্রমোন্নতির ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজাদ প্রডাক্টসের মালিক এ কে আজাদ ‘ভিউকার্ড’ দিয়ে শুরু করে এখন ‘গ্র্যান্ড আজাদ হোটেল’ পর্যন্ত ব্যবসায় বিস্তার ঘটিয়েছেন।

ওয়ালটন তো একেবারেই ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশও যে ইলেকট্রনিকস প্রডাক্টের ‘প্রেস্টিজিয়াস ব্র্যান্ড’ প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা কয়েক দশক আগে ছিল অকল্পনীয় ব্যাপার। এখন তারা ওই জাতীয় পণ্য উৎপাদন ও বিপণনে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। বিশেষত তাদের ‘ফ্রিজ’ সম্পর্কে অধিকাংশ ক্রেতার ইতিবাচক মনোভাব দেখে মুগ্ধ হই। ওয়ালটনের পণ্য এখন দেশের চাহিদার বড় অংশ মিটিয়ে, এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশে রফতানি হচ্ছে; যা নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে নিঃসন্দেহে।

‘রহিমআফরোজ’ তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত হলেও তারা একটা ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে। আমাদের দেশে ব্যবহূত সিংহভাগ ব্যাটারির চাহিদা পূরণের পর তারা প্রতিবেশী দেশেও ব্যাপক মার্কেট সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তাছাড়া আফ্রিকার বেশকিছু দেশে তাদের পণ্য সাদরে বিক্রি হচ্ছে। আবার রেডিমেড ফার্নিচার জগতে বলা যায়, নিতুন কুণ্ড ‘অটবি’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রচলিত ধারণাই বদলে দিয়েছিলেন। ডিজাইনের স্বকীয়তা তাদের যে অনন্য অবস্থান এনে দিয়েছিল, তা ছিল রীতিমতো ঈর্ষণীয়। সেই ধারায় এখন ‘হাতিল’সহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান হোম ও অফিস ফার্নিচারের ব্যবসায়ে দারুণ বিস্তার ঘটাচ্ছে।

‘প্রাণ’ কোম্পানির স্বপ্নদ্রষ্টা আমজাদ খান চৌধুরী সম্পর্কে লোকে খুব কমই জানত। কারণ রাজধানী থেকে বহু দূরে (নাটোর ও রংপুর), অবসরপ্রাপ্ত একজন মানুষ কী করছে তা নিয়ে অন্যদের খুব একটা আগ্রহ থাকার কথা না। কিন্তু একের পর এক কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যবসায় উদ্যোগের সফলতা তাকে নিয়ে যায় অন্য উচ্চতায়। কর্মপরিসরের আলোকে খুব সম্ভবত ‘প্রাণ’ এখন দেশের বৃহত্তম কোম্পানি। অসংখ্য শিল্পে তারা যে অবদান রেখে চলেছে, তা শুধু বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাই বিদেশ যাওয়া থেকেই রক্ষা করছে না; বরং সেগুলো দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য মাত্রায় অর্থ ও সম্মান দুটোই বয়ে আনছে। আর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়টা তো সহজেই অনুমেয়।

একসময় ঢাকা শহরের বাইরে বড় কোনো খাতে বিনিয়োগের কথা কল্পনাও করা যেত না। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে একেবারে মফস্বল অঞ্চলে ‘দ্য প্যালেস’ ও ‘গ্র্যান্ড সুলতানের’ মতো বিলাসবহুল রিসোর্ট গড়ে উঠছে। সারা দেশে এরূপ (ছোট-বড়) শতাধিক স্থাপনা নিঃসন্দেহে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে স্কয়ার ও ইউনাইটেডের মতো বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যসেবা প্রসারিত হয়েছে, যা চিকিৎসাপ্রার্থীদের বিদেশ যাওয়ার হার অনেকটাই কমিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় শখানেক বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গড়ে উঠছে। সিলেটে ‘মাউন্ট অ্যাডোরা’র মতো বিশাল বিনিয়োগে উদ্যোক্তারা সাহসী হচ্ছেন।

একসময় উন্নত মানের কাচের ক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি বিদেশনির্ভর ছিলাম। সেখানে ‘নাসির গ্রুপ’ অনবদ্য এক ভূমিকা রেখে চলেছে। এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে তারা বিপুল পরিমাণ পণ্য বিদেশে রফতানি করছে। অন্যদিকে দেশীয় ব্র্যান্ডের সাইকেল ও মোটরবাইক ব্যবহার করতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। অথচ আগে শতভাগ আমদানি ছাড়া বিকল্প কিছু কল্পনাই করা যেত না। দেশীয় নানা প্রতিষ্ঠান যেসব কৃষিসহায়ক যন্ত্রপাতি তৈরি করছে, তাও রীতিমতো অবিশ্বাস্য। কৃষিকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।

ফ্রিল্যান্সিং জগতে বেশকিছু ছোট প্রতিষ্ঠান ‘বড় অবদান’ রাখছে। সংশ্লিষ্টদের পণ্য বা সেবা দেখা যায় না বলেই হয়তো মানুষ তাদের সম্পর্কে তেমন একটা জানে না। কিন্তু তারা নীরবে দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া উন্নত দেশের ক্লায়েন্টরা বাংলাদেশের নাম জানছে তাদের মানসম্পন্ন সেবার কল্যাণে। ঠিক তেমনিভাবে উবারের বিপরীতে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’-এর সফলতার গল্প আমাদের অনুপ্রাণিত করে। দেশের বাইরে তাদের ব্যবসায় বিস্তারের খবর সত্যিই আশাজাগানিয়া। বিদেশে পড়ালেখা শেষে দেশে ফেরা তরুণদের একাংশ গতানুগতিক ধারার পরিবর্তে ‘নতুন কিছু’ করতে সচেষ্ট হচ্ছে, যা খুবই ভালো লক্ষণ।

‘রকমারি ডটকম’— কঠোর প্রচষ্টায় বিশাল এক সেবা খাত গড়ে তুলেছে। বইয়ের মতো অযাচিত পণ্যকে তারা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে অতি দক্ষতায়। ঠিক তেমনিভাবে ‘এসএ পরিবহনের পার্শ্বেল সার্ভিস’ শুধু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে পণ্য বিনিময়ের ধারাকেই গতিশীল করেনি; দেশে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার যতটুকু বিস্তার হয়েছে (বা ক্রেতাদের এ ব্যাপারে আগ্রহী করা সম্ভব হয়েছে), তার পেছনে এ-জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অবদান রয়েছে। কল সেন্টারে কাজ করার মতো দক্ষ কর্মীর সংখ্যাও ক্রমেই বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়।

এসিআই শুরুর দিকে ওষুধ কোম্পানির মতো (কেমিক্যাল পণ্যের) ইমেজ নিয়ে অগ্রসর হলেও, ক্রমেই তা কনজিউমার প্রডাক্টের দিকে ঝুঁকেছে। গুণগত মান দিয়ে অনেকগুলো আমদানীনির্ভর পণ্যের বিকল্প তারা দেশেই অফার করেছে। এখন সুপারশপ ‘স্বপ্ন’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রিটেইল বিজনেস ধারায় দিক পরিবর্তনেরও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে আবুল খায়ের গ্রুপ দেশের বেশকিছু শিল্পে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। বিশেষত ঢেউটিন, সিমেন্টসহ আরো কিছু পণ্য তাদের ব্যবসায় বিস্তারে বড় অবদান রাখছে।

একসময় ‘অ্যারোমেটিক কসমেটিকস’ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে বাজারে আসে। প্রসাধনী সামগ্রী জগতে খুব সম্ভবত তারাই প্রথম (স্থানীয় কোম্পানি হিসেবে) মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি দেয়। পরবর্তী সময়ে ‘১০০% হালাল’ ধারণাটি তাদের পালে বেশ জোরেশোরেই হাওয়া লাগায়। কাছাকাছি সময়েই ‘কেয়া কসমেটিকস’ও বেশ শক্তি সঞ্চয় করে মাঠে নামে। শুরুতে ভালো করলেও এখন তাদের উভয়েরই সময় ভালো যাচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে দেশীয় আরো কিছু প্রতিষ্ঠান ওই জাতীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে এগিয়ে এসেছে। তবে এ খাতে এখনো বিদেশনির্ভরতা রয়েছে। কারণ ক্রেতাদের একটা অংশের কসমেটিকস আইটেমের ক্ষেত্রে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর প্রতি আস্থা পুরোপুরি সৃষ্টি হয়নি।

উল্লিখিত উদাহরণগুলো সামগ্রিক উদ্যোগের খণ্ডচিত্র মাত্র। দেশে নতুন এবং বৃহৎ উদ্যোগ নানা কারণে একটু স্তিমিত হলেও বৈচিত্র্যময় খাতে বিনিয়োগপ্রবণতা বাড়ছে। সেক্ষেত্রে সুপারশপ, টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র, পশু পালন, মত্স্য চাষ, ফুল-ফল-সবজি উৎপাদন, স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা ও পার্ক স্থাপনের মতো অপ্রচলিত খাতের বিনিয়োগ বেশ লক্ষণীয়। এমনকি বিদেশের আদলে পরিপূর্ণ ‘বোর্ডিং স্কুল’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নজরে আসছে। একসময় নতুন ব্যবসায়ের কথা ভাবলেই যে চিন্তাগুলো মাথায় আসত, তার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে এই ধারা গতিশীল হওয়া খুব দরকার।

 

লেখক: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের পিএইচডি ফেলো