অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ লেখার সুযোগ পাওয়ায় আমি আনন্দিত বোধ করছি। তাঁর সঙ্গে আমার স্মৃতিকথার কথা বলতে গেলে প্রথমে আসবে ১৯৭৬-৮০ সময়টা। ওই সময়টা ছিল আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক শ্রেণীর দিনগুলো। আমার শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, গোলাম কিবরিয়া, মোশাররফ হোসাইন। এঁরাসহ বাংলাদেশের অন্যান্য খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদের সবাই অধ্যাপক রেহমান সোবহান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাঁর অবদান সম্পর্কে অবগত ছিলেন। শিক্ষকরা আমাদের সেসব টপিকের ওপর গবেষণা করতে উত্সাহ দিতেন, যার সঙ্গে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমরা মাঝে মধ্যে বিআইডিএসের ওয়ার্কশপ ও বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যাসোশিয়েশনের (বিইএ) আয়োজিত কনফারেন্সে হাজির হতাম। আমার মনে আছে, বিআইডিএসে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের একটি বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলাম আমি। রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে তাঁর জ্ঞান দেখে এবং আমার মতো স্নাতক শ্রেণীর ছাত্রসহ শ্রোতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের দক্ষতায় মুগ্ধ হয়েছিলাম। তিনি বেশির ভাগ সময় চমত্কার বাচনভঙ্গিতে ইংরেজিতে কথা বলেছিলেন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ইংরেজি বলার এ বাচনভঙ্গি আয়ত্ত করেছিলেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে আমি যুক্তরাষ্ট্রে যাই ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পিএইচডি করতে। এ-সংশ্লিষ্ট গবেষণার কাজে আমি তাঁর কিছু নিবন্ধ পড়ি, যেগুলো ছিল অমর্ত্য সেনের দুর্ভিক্ষের কারণ ও পরিণতির ওপর। বিআইডিএসের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দীর্ঘ সময় পার করেছেন। এ সময় তিনি পরিচিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান নির্মাতা হিসেবে। বিশ্বজুড়ে তাঁর ছাত্র রয়েছে, যারা বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুর ওপর পড়াশোনা ও কাজ করছেন। এর মধ্যে এমন অনেক ইস্যু রয়েছে, যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক অর্থনীতি, যেগুলোয় তিনি নিজেই কাজ করেছেন।
পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (বিডিআই), যেটি স্বাধীনমনা স্কলার ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রফেশনাল সংস্থা, এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর ও তাঁর লেখার সঙ্গে আরো পরিচিত হয়ে উঠি। আমি বিডিআই এক্সিকিউটিভ কমিটিকে একটি আইডিয়া দিই, তা হলো— স্কলার প্র্যাকটিশনারদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের সম্মাননা দেয়ার। বিডিআইয়ের সহকর্মীরা এ আইডিয়া গ্রহণ করার পর আমরা এর জন্য গাইডলাইন তৈরি এবং মনোনয়ন দেয়ার কাজ শুরু করি। প্রথম বিডিআই লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয় ২০১৩ সালে। বাস্তব বিশ্বে ও সামাজিক উন্নয়নে সরাসরি অবদান রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই শুরু করি। এ তালিকাটি ছিল বেশ লম্বা। পর্যায়ক্রমে আমরা সবাই রেহমান সোবহানের প্রতি একমত হই। অর্থনীতিবিদ হিসেবে অবদান রাখা ছাড়াও তিনি বাংলাদেশে ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) দীর্ঘদিনের পরিচালক হিসেবে একজন প্রতিষ্ঠান নির্মাতা ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের (১৯৯০-৯১) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ক্ষমতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সাহস দেখানো। যখন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অধ্যাপক ইউনূসকে অপসারণ করার জন্য সরকার চেষ্টা করছিল, তখন অধ্যাপক রেহমান সোবহান অবিচলিতভাবে প্রকাশ্যে ড. ইউনূসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। বৈরিতার সামনে দাঁড়িয়ে খুব কম স্কলারই এমন সততা ও সাহস দেখান। ষাটের দশকে ছয় দফা ধারণায় তাঁর অবদান এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বায়ত্তশাসনের দাবির জন্য এটিকে ভিত্তি করতে অন্য অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে করা কাজ অবশ্যই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সে সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভিন্ন দেশের রাজধানী সফর করেন এবং বাংলাদেশের সমর্থনে প্রচারণা চালান।
তিনি পুরস্কার গ্রহণ করবেন কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল আমার ওপর। একই সঙ্গে তাঁর আনুষ্ঠানিক জীবনবৃত্তান্তের একটি কপি নেয়ারও দায়িত্ব ছিল। তিনি অনুগ্রহপূবর্ক পুরস্কার গ্রহণ করতে সম্মত হন এবং শুধু একটি অনুরোধ করেন, সেটি হলো বিডিআই চূড়ান্তভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করার পরই যেন তা প্রকাশ করা হয়, এর আগে নয়। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিডিআই লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড এবং পুরস্কার জয়ীর নাম একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করি, যেটি ডেইলি স্টারসহ অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
২০১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক সোবহানের হাতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিভাবে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং এটি ছিল দারুণভাবে সফল। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে ‘বিডিআই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজন করেছিল (২২-২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩) বিডিআই, পুরস্কার বিতরণটি ছিল এর একটি অংশ। দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর সাউথ এশিয়া স্টাডিজ (সিএসএএস), যেটি ইউসি বার্কলেতে অবস্থিত, এ কনফারেন্সের সহ-আয়োজক ছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ১৫০ জনেরও বেশি অতিথি। উপস্থিতি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, ডেইলি স্টারের প্রকাশক ও সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশের ওপর সম্প্রতি বই লেখা অধ্যাপক ডেভিড লুইস এবং ২০১২ সালে ম্যাগস্যাসে পুরস্কার বিজেতা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা হাসান।
কনফারেন্সের আগে আমি যখন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম, সে সময় আমি অধ্যাপক প্রণব বর্ধনকে অনুষ্ঠানে কিছু কথা বলার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। অধ্যাপক বর্ধন তাঁর বন্ধুর সম্মানে রাজি হন। এছাড়া আমি শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূসকে লিখি, যদি তিনি না আসতে পারেন তবে যেন এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি অনুষ্ঠানে পাঠ করার জন্য একটি সুন্দর চিঠি পাঠিয়েছিলেন।
আমি অধ্যাপক রেহমান সোবহানকে প্রথম বিডিআই লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডের জয়ী হিসেবে পরিচিত করে দিই। আমি প্রথমে অধ্যাপক বর্ধনকে কিছু বলার জন্য আহ্বান করি। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অধ্যাপক বর্ধন অধ্যাপক সোবহানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
অধ্যাপক সোবহানকে পরিচিত করাতে গিয়ে আমি নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক অমর্ত্য সেন (অর্থনীতি, ১৯৯৮) এবং নোবেলজয়ী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূসের (শান্তি, ২০০৬) বার্তা পড়ে শোনাই। অভিনন্দন বার্তায় অমর্ত্য সেন লিখেছেন ‘রেহমান সোবহানকে ভালোভাবে জানতে পারা এবং তার জ্ঞান ও অন্তর্দৃষ্টি থেকে লাভবান হওয়া এবং তাঁর উষ্ণতা ও স্নেহ পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন। আমাদের প্রথম দেখা হয় ৬০ বছর আগে ক্যামব্রিজে এবং বন্ধুত্বের মধ্য দিয়ে তাঁর ও আমার জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে এবং আমরা ছয় দশক ধরে ঘনিষ্ঠ রয়েছি। উন্নয়নের প্রক্রিয়া ও একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কার্যকর রাখার পথ ও উপায় বোঝার রেহমান সোবহানের জ্ঞান পুরোপুরি অতুলনীয় এবং আমি ভাগ্যবান যে, আমি এ থেকে উপকার পেয়েছি।
আর অভিনন্দন বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অধ্যাপক রেহমান সোবহানকে ‘২০১৩ বিডিআই লাইফটাইম অ্যাসিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়ার সংবাদ শুনে আমি আনন্দিত। এর চেয়ে ভালো নির্বাচন হতে পারে না। তাঁর সাবেক ছাত্র এবং দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে, একজন অসাধারণ বুদ্ধিমান নেতা, একজন রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, একজন গবেষক, একজন লেখক, একজন সংগঠক, একজন প্রতিষ্ঠাতা নির্মাতা এবং সামাজিক সমস্যার একজন সাহসী যোদ্ধা হিসেবে তাঁকে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তাঁর দীর্ঘ গৌরবময় অর্জনের জন্য তাকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন।’
আমি পুরস্কার গ্রহণের জন্য মঞ্চে অধ্যাপক রেহমান সোবহানকে আমন্ত্রণ জানাই। তাঁকে একটি ফলক দেয়া হয় এবং তিনি ও তাঁর স্ত্রীর (ডা. জাহান) সঙ্গে ছবি তোলা হয়। এটি ছিল একটি স্মরণীয় রাত। আনুষ্ঠানে অধ্যাপক সোবহান আধা ঘণ্টার একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর অধ্যাপক রেহমান সোবহান ‘দ্য ইনজাস্টিস অব প্রোভার্টি’ শিরোনামের একটি স্বীকৃতি গ্রহণের বক্তৃতা দেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টার ইতিহাস। তিনি নিজ জীবনের প্রথম দিকের কাজগুলো নিয়ে কথা বলেন, যার মধ্যে ছিল দুই অর্থনীতি তত্ত্ব, যেটি ছিল রাজনৈতিক দাবির তাত্ত্বিক ভিত্তি, যা পরবর্তী সময়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার সংগ্রামে রূপ নিয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠা পায় স্বাধীন বাংলাদেশ।
নিজ বক্তৃতায় অধ্যাপক সোবহান বলেন, ‘আমরা প্রেজেন্টশনে সাতটি বিষয়ের ওপর নজর দেব, যেগুলো আমি গত ৫৫ বছরের কর্মজীবনে চিহ্নিত করেছি এবং যেটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের অবিচারের প্রতি চ্যালেঞ্জ জানাবে। যখন থেকে ক্ষমতা ও সুযোগ বিতরণে বৈষম্য জন্মাতে শুরু করল, তখন থেকে এগুলো শোধরানোর যেকোনো চেষ্টায় জড়িত হয় কাঠামোগত পরিবর্তন, যেটি আমাদের নিয়ে আসে রাজনৈতিক অর্থনীতির জগতে। আমার আলোচনাকৃত সাতটি বিষয়ের প্রতিটিতে বড় রাজনৈতিক জটিলতা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে ফলাফলকে প্রভাবিত করে। এজন্য আমার প্রচেষ্টা হবে পরিবর্তন আনতে গিয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতার প্রতি দৃষ্টি টানতে এবং অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক অর্থনৈতিক থেকে পাওয়া কিছু শিক্ষা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করা, যা ফলাফলকে প্রভাবিত করে।’
তাঁর এই পুরো বক্তৃতা বিডিআইয়ের পাবলিকেশন জার্নাল অব বাংলাদেশ স্টাডিজে (জেবিএস) প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৩ সালের কনফারেন্সর পর, রেহমান সোবহানের সঙ্গে আমার বহুবার যোগাযোগ হয়েছে। যখনই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন আমরা কথা বলেছি। নিউইয়র্কে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন। তার স্ত্রী কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ২০১৫ সালে তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রে আসেন ইউসি বার্কলেতে আয়োজিত বিডিআই কনফারেন্সে যোগ দিতে, সেবার দ্বিতীয়বারের মতো আমরা লাইফটাইম অ্যাসিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দিয়েছিলাম তাঁর বন্ধু অধ্যাপক নুরুল ইসলামকে।
অধ্যাপক রেহমান সোবহান একজন সত্যিকারের সজ্জন ও বিদ্বান ব্যক্তি, যিনি সত্যিকারভাবে বাংলাদেশের ভালোর জন্য কাজ করেন। তার আত্মজীবনী পড়লে মনে হয় রূপকথা পড়ছি।
আমি অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি। আমি জানি তিনি যত দিন বেঁচে থাকবেন, তত দিন বাংলাদেশের জন্য কাজ করে যাবেন; কারণ এ দেশকে তিনি খুব ভালোবাসেন।
লেখক: অধ্যাপক ও ডিন, কলেজ অব বিজনেস
অ্যাসোসিয়েট প্রভোস্ট, প্রেইরি ভিউ এঅ্যান্ডএম ইউনিভার্সিটি, টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র
প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (বিডিআই)






