বাংলাদেশে বেশকিছু বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করছে। এর মধ্যে পপুলার অন্যতম। ২০১০ সালে অধ্যাপক টিআইএম আব্দুল্লাহ ফারুকের নেতৃত্বে মাত্র ৩৫ জন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করা কলেজটি খুব অল্প সময়ে নিজেদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

এ বছর স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে বেসরকারিভাবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অথবা তাদের অভিভাবকরা যেসব বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুপারিশের জন্য অনুরোধ নিয়ে গেছেন তাদের মধ্যে পপুলার মেডিকেল কলেজের নামটি বারবার উঠে এসেছে। কলেজটি এবার ৪৭ জন বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে, যেটি একটি মাইলফলক। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে যেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে প্রথম যে জিনিসটি প্রয়োজন সেটা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। সেই অর্থনীতিতে পপুলার বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। যার প্রমাণ স্বাস্থ্য খাতে পপুলার গ্রুপের দীর্ঘদিনের ভূমিকা। সারা দেশে প্রায় ২০টির মতো ডায়াগনস্টিকের শাখা পরিচালিত হচ্ছে। পপুলার হাসপাতাল অসংখ্য রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করছে। পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস কম খরচে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের মানুষ ও চিকিৎসকদের আস্থা অর্জন করায় দেশ-বিদেশে পপুলার মেডিকেল কলেজের চাহিদা অনেক গুণ বেড়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের বেশকিছু অবসরপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে পরিচালিত কলেজটির শিক্ষার মান খুব অল্প সময়ে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। ফলে সরকারি মানের শিক্ষা বেসরকারিভাবে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে এবং প্রতি বছর একঝাঁক তরুণ চিকিৎসক তৈরি হচ্ছে। বের হওয়ার আগেই তারা পপুলারের নিজস্ব হাসপাতালে রোগীদের সেবা প্রদানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে।

মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় ১৫ তলা ভবনে ৭৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি আধুনিক হাসপাতাল এবং অপর আরেকটি ১৫ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ চলমান। যার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

পপুলার নার্সিং ইনস্টিটিউট, আধুনিক হোস্টেল ও কলেজ ক্যান্টিনের পাশাপাশি একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ তৈরি করা হবে। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে এমন ক্যাম্পাস পপুলার গ্রুপই প্রথম তৈরি করবে। কলেজের এ সাফল্যের পেছনে একজন মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি হলেন পপুলার মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান। কলেজটির কর্তৃপক্ষকে তিনি স্বতন্ত্রভাবে কলেজ পরিচালনার স্বাধীনতা দিয়েছেন এবং সবাইকে নিজের প্রতিষ্ঠান ভেবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সিআইপি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান একটা কথাই শিখিয়েছেন, “‌থাকব সাধারণ, কাজ করব অসাধারণ। আসুন ভালোবাসার আলো ছড়াই।’


মো. নাহিদ পারভেজ

জনসংযোগ বিভাগ, পপুলার গ্রুপ