শেষ তিনটা নির্বাচনের স্মৃতি মাথায় রেখে যদি বলি, সরকার বা শাসন বিভাগের প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবে কিনা নির্বাচন কমিশন, এ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। একটা বিষয় মনে রাখা দরকার, আমরা এখনো জাতিগতভাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর পূর্ণাঙ্গভাবে নির্ভর করছি না। জাতীয় নির্বাচন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার জন্য সবাই মনে করছি। সুতরাং এটা নিয়ে দ্বিমত নেই যে নির্বাচন কমিশনকে আইনি, সাংবিধানিক সব রকম সক্ষমতা এবং তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যদি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় তাহলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। এক্ষেত্রে বেশ কিছুদিন সরকারের পক্ষ থেকে সদিচ্ছা প্রয়োজন। সেই কারণেই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলছি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট শক্তিশালী সেই আচরণ করতে পারা উচিত। কারণ এটা নিয়ে তর্ক আছে। কেউ কেউ চাইছেন এ সরকারের অধীনেই সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়ে যাক। কিন্তু এটা নির্বাচিত সরকারের অধীনেই হওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে যথেষ্ট শক্তিশালী আচরণ করতে পারতে হবে। এক্ষেত্রে যথেষ্ট আইন ও সদিচ্ছা তৈরি হয়েছে। এমনকি বিএনপি অন্যান্য কমিশনের ক্ষেত্রে সরকারের প্রভাব রাখার ঘোরতর পক্ষে থাকলেও তারা নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্তভাবে গঠন করার ক্ষেত্রে একমত হয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো স্বচ্ছভাবে করতে পারবে। তবে মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য কয়েকটি জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে।
গত এক বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে এ আত্মবিশ্বাস আসেনি যে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ বিষয়ে একটি অনাস্থা আছে। এ অনাস্থা দূরীকরণের ক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ অনেকের কাছে যথাযথ বলে মনে হয়নি। অনাস্থার বিষয়কে একেবারে সরলভাবে আমি দেখতে চাই না। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের বক্তব্যে সবসময় যা বলে তা হুবহু মিল হবে তা নাও হতে পারে। সারা বিশ্বে বিশেষ করে আমাদের এ অঞ্চলে কিন্তু রাজনীতিবিদদের মধ্যে প্রচুর রেটরিক শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা থাকে। তারা যখন এ ধরনের কথা বলছে, এর মাধ্যমে তারা সরকারকে চাপ দিচ্ছে। এর অর্থ এই নয় যে তারা সরকারের ওপরে সম্পূর্ণ অনাস্থা পোষণ করে। এটা এ কারণে হতে পারে, তারা সরকারকে বা তার প্রতিপক্ষকে কোনো ধরনের চাপ দিয়ে কোনো সুবিধা পেতে চাইছে। তবে সরকার এখন পর্যন্ত কয়েকটি জায়গায় অনাস্থা তৈরির মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বা নির্বাচনের সময় যদি কোনো সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেটা নিয়ন্ত্রণে শতভাগ কনফিডেন্ট পুলিশ বাহিনীতে তৈরি হয়নি। সুতরাং সরকারের এক্ষেত্রে প্রস্তুতির ঘাটতি আছে। যদি যথেষ্ট সেনা মোতায়েন করা হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে বিএনপিও যদি তাদের জায়গা থেকেও খুবই সতর্ক থাকে তাহলে নির্বাচনে যেকোনো ধরনের সংঘাত পরিস্থিতি তৈরি হবে না। সবাই চেষ্টা করলে ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। তবে সরকারকেও তার সদিচ্ছা দেখাতে হবে। ধরে নিই নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হবে। তাহলে ছয় মাসের মতো সময় আছে। তাই সরকারের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে খুবই উদ্যোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অনেকেই প্রশ্ন করছে, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ বিগত ফ্যাসিবাদী রেজিমের বিভিন্ন সুবিধাভোগী দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা? তাদের সমর্থকগোষ্ঠী ও ভোটার আছে। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অসম্ভব বলে মনে করি। আওয়ামী লীগ এখনো টেকনিক্যালি নিষিদ্ধ দল না। তাদের ব্যাপারে আইসিসিতে মামলা করা হয়েছে। সেটা তদন্ত হবে ও শুনানি হবে, তারপর সিদ্ধান্ত হবে। আমার মনে হয়, নির্বাচনের আগে সিদ্ধান্ত হবে না। কিন্তু সন্ত্রাস দমন আইনের অধীনেও তাদের সব রকম রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না। তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে এখন আশা নেই। কিন্তু জাতীয় পার্টি এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ দল নয়। তাদের কর্মকাণ্ড আছে, কর্মসূচি আছে। জাতীয় পার্টি সম্ভবত নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। আমি ধারণা করছি, আওয়ামী লীগের অনেকেই হয়তো জাতীয় পার্টিতে এসে নির্বাচন করতে পারে। যদি তাদের দলগত সিদ্ধান্ত হয়। যারা অন্তত দেশে আছে, যাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, তাদের কেউ কেউ জাতীয় পার্টিতে এসে লাঙ্গল মার্কায় নির্বাচন করতে পারে। তবে আওয়ামী লীগের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে খুবই দুঃখজনক যে শেখ হাসিনার এ বীভৎসতার পরও সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। সেই মানুষগুলোকে একটা পলিটিক্যাল স্পেস দেয়া দরকার। ধীরে ধীরে এটা ভাবতে হবে। এ নির্বাচনে তাদের সুযোগ দেয়া খুব কঠিন হবে, কিন্তু ভবিষ্যতে এটা মাথায় রাখতে হবে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন বিষয়ে দরকষাকষি করেছে, কিছু বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর আগে নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পরও তিন জোটের রূপরেখা তেমন ফল দিতে পারেনি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যস্থতায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আমি মনে করি, এবারের পরিস্থিতি নব্বই-পরবর্তী সময়ের থেকে অনেকটা আলাদা। জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপি ক্ষমতায় যাবে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। তারা কী চায়, না চায় সেটা পরীক্ষা হওয়া কঠিন হবে। কিন্তু জনমত বলছে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে। বিশ্লেষণের জায়গা থেকে দেখি, তারা হয়তো কিছু সিট হারাবে, তবে তারা ক্ষমতায় যাবে। এবার বিএনপি এমন কোনো রকম প্রতিশ্রুতি দেয়নি যা সে করতে পারবে না। যদি আগের মতো হতো, সবকিছু মেনে নিত ঠিকই কিন্তু ক্ষমতায় গেলে মানবে না। ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রেই ছাড় দিয়েছে, বাকিগুলোয় কোনো ছাড় দেয়নি। এ কারণে তার প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে, কিন্তু তার পরও সে তার জায়গা থেকে সরে আসেনি। অনেক মৌলিক সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছি। বিএনপি যেগুলোয় নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) দিচ্ছে, সরকার যদি সেগুলো রাখেও, বাস্তবায়নের দায় বিএনপির নেই। কারণ সে জাতিকে আগেই বলে দিয়েছে কোনগুলো সে মানে না। বাকিগুলো সংস্কার হবে। সেজন্য এবারের পরিস্থিতি তিন জোটের রূপরেখার মতো হবে না বলে বিশ্বাস করি।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো সিভিল ও মিলিটারি ব্যুরোক্রেসি যেটা ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে শক্তিশালী করেছে, সেটার সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখছি না। আমরা দেখেছি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) সংস্কারের উদ্যোগে কর্মকর্তারা আন্দোলন করেছেন, কর্মবিরতি পালন করেছেন। সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে এ সরকার হিমশিম খাচ্ছে। মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রের দৈনিক কার্যক্রম চালায় বেসামরিক আমলাতন্ত্র। শুরুতে এ সরকারের প্রতি ম্যান্ডেট ছিল অনেক ভালো। সরকারকে সবাই সমর্থন করেছিল। কিন্তু দিন যেতে লাগল সরকার তার অক্ষমতার কারণে ম্যান্ডেট হারিয়েছে। সরকারের প্রতি ম্যান্ডেট কমে যাওয়ায় এখন একটি বড় অংশ সরকারকে সমর্থন করছে না। আবার যারা আগে খুব কঠোর বা শক্তিশালীভাবে সমর্থন করত তারা এখন দুর্বলভাবে করছে। যে সরকারের প্রতি শক্তিশালী সমর্থন নেই সে সরকারকে আমলাতন্ত্র তেমন পাত্তা দেয় না। বাংলাদেশের মতো দেশের ক্ষেত্রে যদি রাজনৈতিক শক্তি বা সংগঠন মাঠে না থাকে তখন আমলাতন্ত্র পেয়ে বসে। একটি নির্বাচিত সরকারের তুলনায় এখনকার আমলাতন্ত্র অনেক বেশি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছে। আমলানির্ভরতা ছাড়া সরকারের কোনো গতি নেই। কোথাও নির্বাচিত প্রতিনিধি নেই। সবকিছু আমলাকে দিয়েই করতে হয়। স্থানীয় সরকারগুলো কাজ করছে না। সে কারণে আমলাতন্ত্র সংস্কার এ সরকারকে দিয়ে হবে না। এখানে কমিশন হয়েছে। কমিশনের প্রতিবেদন হয়েছে। যেগুলো গ্রহণযোগ্য হয়েছে, সেগুলো নির্বাচিত সরকারকেই করতে হবে। কারণ যে সরকারের সেই ম্যান্ডেট থাকে, তখন সে সরকারকে আমলারা মূল্যায়ন করতে বাধ্য হয় ও কথা শুনতেও বাধ্য হয়। এ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদটিই দুর্বল। প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে অন্য উপদেষ্টারা প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত দিক থেকে দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে। সে রকম একটি দুর্বল সরকারকে সামরিক হোক বা বেসামরিক আমলাতন্ত্র হোক, কেউই খুব বেশি পাত্তা দেবে না।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়নে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময়কালের তুলনা করা হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আলোচিত দুইটা সরকারের মধ্যে কিন্তু বিরাট একটা পার্থক্য আছে। আগের ওয়ান-ইলেভেনের সরকারটি মূলত মিলিটারি সরকার ছিল। সেটাকে যতই বেসামরিক চেহারা দেয়ার চেষ্টাই আমরা করি না কেন ওটা আসলে মিলিটারি ক্যু ছিল, যেখানে কিছু সিভিল লোকজন বসিয়ে একটা সিভিল চেহারা আনার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে মিলিটারির পক্ষে অনেক বেশি কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে মাঠে কাজ করার ক্ষমতা ছিল। সে কারণেই মূলত অল্প সময়ে কিছু দৃশ্যনীয় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল।
আর এখনকার সরকার পুরোপুরি সিভিল/বেসামরিক। বর্তমানে যেহেতু মিলিটারি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত নয়, এ সরকার সম্পূর্ণভাবে নিজের কর্তৃত্বে কাজ করছে। আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে যে শুরুতে বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। শেখ হাসিনার সময়ে এই দুটি প্রতিষ্ঠান একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক পুলিশ পালিয়ে গেছে, যেটা চিন্তা করাটাও কষ্টকর। তো সেই পুলিশকে দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করানো মুশকিল। আপনি যেখানেই কাজ করাতে যান না কেন আপনার একটা বাহিনী লাগবে, লোকবল লাগবে।
এবার সিভিল প্রশাসন ও পুলিশের সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে, তাই একই ধরনের কার্যকর পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বরং প্রশাসন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যাওয়ায় নাগরিক সেবাগুলোর কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব হয়নি। এটা তো গেল আলাদা হিসাব। সবচেয়ে বড় কথাটা হলো সরকার যদি আরো বেশি যোগ্য হতো, অর্থাৎ ড. ইউনূসের যদি একটি কার্যকর উপদেষ্টা পরিষদ থাকত তাহলে এ পরিস্থিতিতে আরো বেশি ভালো কাজ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি হলো তারা অত্যন্ত অদক্ষ একটি সরকার গড়ে তুলেছেন। ফলে নাগরিক সেবা, পরিবেশ, গণপরিবহন—সব জায়গায়ই ব্যর্থতা।
ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা গড়ে ওঠার পেছনে অলিগার্কদের ভূমিকা আছে। তারা ব্যাংক লুটপাট, অর্থ পাচার, সরকারি সম্পদ তসরুপ থেকে শুরু করে এহেন অপরাধ নেই যে করেনি। সেসব অলিগার্ককে আইন ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। কিন্তু এটা যদি সরকার করত তাহলে জনগণ খুবই খুশি হতো। গত ১৬ বছরে অলিগার্করা ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার করেছে। তারা আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মধ্যে সুনিপুণভাবে মিশে গিয়েছিল। মোটাদাগে তারা দুইভাবে সুবিধা ভোগ করেছে। যারা রাজনৈতিক পরিচয় ধারণ করেছিল অভ্যুত্থানের পরে শুধু তাদেরই শাস্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির বাইরে থেকে লুটপাট করা সব অবৈধ সুবিধা ভোগ করা অলিগার্কদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেই। সরকারের পক্ষ থেকে এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনো জবাবদিহিতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
আরো হতাশার জায়গা হলো অলিগার্কদের কেউ কেউ ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যেতে পারে এমন লোকদের সঙ্গে খাতির বাড়াচ্ছে।
জাহেদ উর রহমান: রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য










