বাংলাদেশে রোগীদের বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য খাতে ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন অ্যাপোলা এখন ঢাকায়। রাজধানীর ধানমন্ডির ৬৪, সাত মসজিদ রোডের সুউচ্চ স্থাপনা আমিন ট্রেড সেন্টারে চালু হচ্ছে অ্যাপোলো ক্লিনিক, পরিচালনা করবে জেএমআই গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জেএমআই স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেড। শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি।

জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল হলো জেএমআই গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের একটি সাবসিডিয়ারি। অন্যদিকে অ্যাপোলো হেলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল লিমিটেড হলো অ্যাপোলো হসপিটালস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি সাবসিডিয়ারি, যা ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন এবং সারা বিশ্বে তাদের মালিকানাধীন ৭৫টি হাসপাতাল ও ৩৫০টি ক্লিনিক রয়েছে।

চলতি বছর স্বাক্ষরিত এক চুক্তি অনুযায়ী, জেএমআই স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঢাকায় ‘অ্যাপোলো ক্লিনিক’ পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে। ভারতের অ্যাপোলোর মতো সেবার মান নিশ্চিতে ক্লিনিকটিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক, দক্ষ নার্স, ব্যবস্থাপনা কর্মীসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন এর উদ্যোক্তারা। ঢাকার অ্যাপোলো ক্লিনিক থেকে বছরে ১০ লাখের বেশি রোগী স্বাস্থ্যসেবা পাবেন বলেও বলছেন তারা। জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড অ্যাপোলো ক্লিনিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সারা দেশে এ পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করেছে।

এ প্রসঙ্গে জেএমআই গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসেবা খাতে সুদৃঢ় অবস্থান এবং দেশ ও জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই ইতিমধ্যেই একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরো গুণগত পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবেই ভারতের বিশ্বসেরা হাসপাতাল ব্র্যান্ড অ্যাপোলো থেকে বাংলাদেশে অ্যাপোলো ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্স নিয়েছে জেএমআই। এটিকে জেএমআই গ্রুপের পেশাদার ও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকারের আরেকটি পুরস্কার বলেও দাবি তাদের।

এ বিষয়ে জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। এ লক্ষ্যে হাসপাতাল-ক্লিনিক ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করছি। ন্যায্যমূল্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য, যাতে দেশের মানুষ বিদেশে না গিয়ে দেশেই বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।’