১৯৯০-এর
দশকের
গোড়ার
দিকে
রওনকের
সঙ্গে
যখন
আমার
প্রথম
দেখা
হয়েছিল
তখন
আমি
নোরাডের
(নরওয়েজিয়ান এজেন্সি
ফর
ডেভেলপমেন্ট
কো-অপারেশন)
উইমেন
ইউনিটের
প্রধান
হিসেবে
কাজ
করছি।
সে সময়
আন্তর্জাতিক
অনেক
উন্নয়ন
সংস্থা
মূলধারায়
‘লিঙ্গ’
ধারণা
তৈরি
এবং
সংস্থাগুলোর
অভ্যন্তরে
লিঙ্গের
বিষয়গুলোকে
একীভূত
করার
প্রচেষ্টা
হিসেবে
অংশীদারদের
সঙ্গে
সংলাপের
মাধ্যমে
কীভাবে
অগ্রসর
হবে
তা
নিয়ে
রীতিমতো
লড়াই
করছে।
এক্ষেত্রে
নোরাড
ব্যতিক্রম
ছিল
না।
কোনো
দাতা
সংস্থার
মধ্যে
বা
আমাদের
অংশীদার
দেশগুলোতে
লিঙ্গসংক্রান্ত
উদ্বেগগুলোকে
মূলধারায়
আনার
বিষয়গুলোর
কখনই
দ্রুত
সমাধান
হয়নি।
রওনক সে
সময়
এ
লিঙ্গবিষয়ক
‘মূলধারার’
গবেষণার
প্রস্তাব
দেন,
যা
ছিল
সময়োপযোগী
ও
দারুণ
একটি
উদ্যোগ।
এ
উদ্যোগের
পেছনে
নোরাডের
তত্কালীন
মহাপরিচালক
পার
কিউ
গ্রিম্পস্টান্ড
ও
তার
টিমের
সম্পূর্ণ
সমর্থন
ছিল।
নব্বইয়ের দশকে
ওইসিডি
(অর্গানাইজেশন ফর
ইকোনমিক
কো-অপারেশন
অ্যান্ড
ডেভেলপমেন্ট),
ডিএসি
(ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স
কমিটি)
ও
ডব্লিউআইডি
(উইমেন ইন
ডেভেলপমেন্ট)
সংগঠনগুলোর
মধ্যে
অনেক
আলাপ-আলোচনা
চলে
এবং
নোরাডের
পক্ষ
থেকে
রওনককে
লিঙ্গবিষয়ক
ধারণার
ওপর
একটি
গবেষণাপত্র
তৈরির
জন্য
অনুরোধ
করা
হয়।
পরিকল্পনাটিকে
সংগঠনটির
পক্ষ
থেকে
স্বাগত
ও
স্বীকৃতি
জানানো
হয়।
এ
গবেষণার
পর
নোরাডের
পক্ষ
থেকে
চারটি
আন্তর্জাতিক
সংস্থা
ও
দুটি
দেশের
মধ্যে
মূলধারার
অগ্রগতি
মূল্যায়নের
জন্য
রওনক
পরিচালিত
আরেকটি
গবেষণায়
অর্থায়ন
করা
হয়,
যার
ফলস্বরূপ
জেড
প্রকাশনী
থেকে
প্রকাশিত
হয়
‘দ্য
ইলুসিভ
এজেন্ডা—মেইন
স্ট্রিমিং
উইমেন
ইন
ডেভেলপমেন্ট’
নামের
গ্রন্থটি
১৯৯৫
সালে।
ডব্লিউআইডির ম্যান্ডেটের
অংশ
হিসেবে
রওনককে
আমি
লিঙ্গবিষয়ক
মূলধারার
বিষয়ে
নোরাডের
নীতি,
কৌশল
ও
কর্মপরিকল্পনা
মূল্যায়নের
জন্য
অনুরোধ
করি।
চূড়ান্ত
প্রতিবেদনটি
রওনক
আমাদের
মহাপরিচালক
ও
তার
টিমের
সামনে
উপস্থাপন
করেন,
যা
তারা
খুব
ইতিবাচকভাবে
গ্রহণ
করেছিলেন।
এ
অঞ্চলে
নোরাডের ভবিষ্যৎ কাজের
ক্ষেত্রে
রওনকের
এ
গবেষণা
অনেক
মূল্যবান
অবদান
রাখে।
আমি এখানে
নোরাডের
পাশাপাশি
ওইসিডি/ডিএসি/ডব্লিউআইডির
হয়ে
রওনকের
কাজের
সাফল্যকে
গুরুত্বের
সঙ্গে
উল্লেখ
করতে
চাই।
সেই
সঙ্গে
আরো
বলব
যে
চমত্কার
একাডেমিক
ও
পেশাদারি
ভঙ্গির
পাশাপাশি
তিনি
একজন
চমত্কার
শ্রোতা,
কৌতূহলী,
উদ্যমী,
নির্ভীক,
বিদগ্ধ,
হাস্যরসে
পূর্ণ
সবার
পছন্দের
একজন
মানুষ।
কাজ করতে
করতে
আমাদের
মধ্যে
চমত্কার
বন্ধুত্বপূর্ণ
সম্পর্ক
গড়ে
ওঠে,
যার
বয়স
হয়ে
গেছে
৩০
বছরেরও
বেশি।
রওনক
কিরকেনেস
থেকে
বার্গেন
পর্যন্ত
নৌকায়
করে
আমার
গ্রাম জোয়েলস্টারে এসেছিলেন,
এটি
অবস্থিত
নরওয়ের
পশ্চিম
অংশে।
তখন
তিনি
আমার
মা,
ছেলে,
ভাই
ও
বোনের
সঙ্গে
দেখা
করেছিলেন।
এর
পর
থেকে
আমাদের
মধ্যে
সবসময়ই
যোগাযোগ
অব্যাহত
রয়েছে।
আমি
২০০৬
সালে
নরওয়ের
রাষ্ট্রদূত
হিসেবে
বাংলাদেশে
আসি।
বাংলাদেশ
ইনস্টিটিউট
অব
ডেভেলপমেন্ট
স্টাডিজ
ও
নরওয়ের
ক্রিশ্চিয়ান
মিশেলসেন
ইনস্টিটিউট
(সিএমআই) বহু
বছর
ধরে
প্রাতিষ্ঠানিক
সহযোগী
হিসেবে
কাজ
করে
আসছিল।
বাংলাদেশে
আমার
অবস্থানের
সময়
আমরা
এ
সহযোগিতাকে
পুনরুজ্জীবিত
করি।
তবে
এবার
তা
হয়
সেন্টার
ফর
পলিসি
ডায়ালগ
(সিপিডি) ও
সিএমআইয়ের
মধ্যে।
এ
সহযোগিতার
অন্যতম
ফলাফল
হচ্ছে
বাংলাদেশের
সংসদ
ও
রাজনৈতিক
দলগুলোর
ওপর
রওনকের
গুরুত্বপূর্ণ
গবেষণা
দুটি।
ড. ইনগেবিয়ার্গ স্টফরিং: নোরাড ডব্লিউআইডি ইউনিটের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের সাবেক রাষ্ট্রদূত





