বাংলাদেশ উন্নয়ন
গবেষণা
প্রতিষ্ঠান
(বিআইডিএস) এবং
বণিক
বার্তার
পক্ষ
থেকে
অধ্যাপক
ড.
রওনক
জাহানকে
সম্মানজনক
গুণীজন
সংবর্ধনা
প্রদান
করার
সিদ্ধান্ত
গ্রহণের
বিষয়টি
জেনে
আমি
ভীষণ
আনন্দিত।
প্রথমবারের
মতো
একজন
নারী
হিসেবে
তিনি
এ
সম্মাননা
অর্জন
করতে
যাচ্ছেন।
তার
আগে
বাংলাদেশের
বেশ
কয়েকজন
কৃতী
সন্তান
এ
সম্মাননায়
ভূষিত
হয়েছেন।
আমি
তাঁকে
আমার
আন্তরিক
অভিনন্দন
জানাচ্ছি।
সত্তরের
দশকে
পেশাগত
সূত্রে
আমি
যখন
ঢাকায়
অবস্থান
করি,
তখন
তিনি
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে
শিক্ষকতা
করছিলেন।
সে
সময়
আমাদের
পরিচয়
ছিল
না।
পরবর্তী
সময়ে
৯০-এর
দশকে
আবারো
আমি
যখন
ঢাকায়
আসি,
তিনি
তখন
ছিলেন
কলাম্বিয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ে।
অবসর
গ্রহণের
পর
আমি
দিল্লি
চলে
আসি।
এ
সময়
ভারতের
রাজধানী
শহরে
তিনি
এক
সফরে
এলে
তাঁর
সঙ্গে
পরিচিত
হই।
তাঁর
একজন
বন্ধু
হতে
পেরে
আমি
নিজেকে
সৌভাগ্যবান
মনে
করি।
কর্মসূত্রে
প্রথমবারের
মতো
বাংলাদেশে
এসে
আমি
যখন
এ
দেশ
ও
মানুষকে
বোঝার
চেষ্টায়
নিয়োজিত
তখন
তাঁর
‘পাকিস্তান:
ফেইলিউর
ইন
ন্যাশনাল
ইন্টিগ্রেশন’
বইটি
আমার
হাতে
আসে।
একটি
দেশের
মধ্যকার
বিভাজনের
বিষয়গুলোকে
উপেক্ষা
করার
ফলাফল
কীভাবে
বিচ্ছিন্নতার
দিকে
মোড়
নেয়
রওনক
তার
এ
গ্রন্থে
তা
খুব
চমত্কার
ও
স্পষ্টভাবে
ব্যাখ্যা
করেছেন।
একজন
তরুণ
গবেষক
ও
পণ্ডিত
হিসেবে
তাঁর
লেখার
মূল্যায়ন
সাম্প্রতিক
একটি
নিবন্ধে
এভাবে
বর্ণনা
করা
হয়েছে,
‘তাঁর
নিখুঁত
মূল্যায়ন,
সূক্ষ্ম
বিশ্লেষণ,
এমনকি
দেশ
কোন
দিকে
যাচ্ছে
তা
নিয়ে
সঠিক
ভবিষ্যদ্বাণী
থেকে
আমরা
যে
জরুরি
পাঠগুলো
পাই
তা
কালজয়ী
এবং
যারা
সবসময়
প্রশ্ন
করেন
যে
কোন
কোন
বিষয়
ব্যক্তিকে
সম্প্রদায়
বা
জাতি
হিসেবে
একত্রিত
করে
কিংবা
বিভক্ত
করে—তাদের
জন্য
বইটি
সবসময়
একটি
প্রাসঙ্গিক
পুস্তক
হয়ে
থাকবে।’
যদি ‘পাকিস্তান:
ফেইলিউর
ইন
ন্যাশনাল
ইন্টিগ্রেশন’
বইটি
অধ্যাপক
জাহানকে
বাংলাদেশের
অভ্যুদয়ের
ইতিহাসে
স্থায়ী
আসন
দেয়,
তাহলে
সুশাসন-সংক্রান্ত
বিভিন্ন
বিষয়ে
তার
তীব্র
ও
ধারাবাহিক
উদ্বেগের
বিষয়টিও
প্রশংসনীয়।
তিনি
গণতান্ত্রিকভাবে
নির্বাচিত
বিশ্বব্যাপী
সরকারগুলোর
স্বৈরশাসন
প্রবণতার
বিষয়ে
রীতিমতো
যুদ্ধ
ঘোষণা
করেছেন।
বিষয়টি
এ
অঞ্চলের
জন্য
গভীর
উদ্বেগের
সৃষ্টি
করেছে।
লিঙ্গ
ইস্যুতে
তিনি
জাতীয়
ও
আন্তর্জাতিক
পর্যায়ে
একজন
বিশেষজ্ঞ
ব্যক্তিত্বও
বটে।
ড. রওনক
জাহান
একাডেমিক
সীমাবদ্ধতার
বাধ্যবাধকতা
অতিক্রম
করে
সমুন্নতভাবে
নাগরিক,
বিশেষ
করে
নারীদের
অধিকার
আদায়ের
পক্ষে
দৃঢ়
অবস্থান
গ্রহণ
করেছেন।
রওনকের
কথা
ও
কাজে
বাংলাদেশের
প্রতি
তাঁর
উদ্বেগ
ও
ভালোবাসার
প্রতিফলন
ঘটে।
বাংলাদেশ
তার
স্বাধীনতার
৫০
বছর
উদযাপন
করছে,
এমন
একটি
সময়ে
একজন
বিশিষ্ট
গুণীজন
হিসেবে
রওনক
জাহান
সম্মাননা
পাওয়ার
অকুণ্ঠ
দাবিদার।
দেব মুখার্জি: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত





