সরকারি বাঙলা কলেজ অডিটোরিয়ামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ মে) সকাল ১০টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. কামরুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নাহিদা পারভীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. মাহবুবা আক্তার, আহবায়ক, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন কমিটি-২০২৫।

বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হোমায়রা মোর্শেদা আখতার প্রবন্ধ পাঠ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য ও বাঙ্গালী সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ও তার পরিবারের অবদান অপরিসীম। শিল্প, সাহিত্য ও সংগীতের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে রবীন্দ্রনাথের হাতের স্পর্শ পড়েনি, তিনি ছিলেন কালোত্তীর্ণ একজন প্রতিভা। অন্যদিকে প্রেম ও দ্রোহের কবি ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে মানবিকতা, নারী-পুরুষের মধ্যে সাম্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে জয়গান গেয়েছেন।

নাহিদা পারভীন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল তাদের সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের মাঝে অমর হয়ে আছেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. কামরুল হাসান তার বক্তব্যে বলেন, নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের মধ্যে যে সর্ম্পক ছিল, তা ছিল শ্রদ্ধা ও স্নেহের এবং ভালোবাসার সর্ম্পক। কবিগুরু নজরুলকে যেমন স্নেহ করতেন, নজরুলও তেমনি রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা করতেন। তিনি আব্বাস উদ্দিনের সঙ্গে কবি নজরুলের সর্ম্পক ও নজরুলের ইসলামী গান ও গজল সৃষ্টিতে আব্বাস উদ্দিনের প্রেরণাকে উল্লেখ করেন। এছাড়া জাতীয় সংগীত ও রণ সংগীতের দুই স্রষ্টাকে তিনি বিভিন্নরূপে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রচনা এবং কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।