অ্যানথ্রোপিক, ওপেনএআই, এক্সএআই ও মেটার মতো বড় বড় কোম্পানিগুলোর এআইবিষয়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো আন্তর্জাতিক মান থেকে অনেক পিছিয়ে। ফিউচার অব লাইফ ইনস্টিটিউটের নতুন এআই সেফটি ইনডেক্সে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।
সংস্থাটি বলছে, কোম্পানিগুলো উন্নত ও শক্তিশালী এআই তৈরিতে তাড়াহুড়ো করছে। কিন্তু এ প্রযুক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপদ রাখা যাবে তা নিয়ে তাদের কাছে কোনো দৃঢ় বা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই।
এআই নিয়ে সম্প্রতি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা ওপেনএআইয়ের চ্যাটবটের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগও উঠেছে। মানুষের তুলনায় ‘বেশি বুদ্ধিমান’ ও যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে সক্ষম এআই সমাজে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন অনেকে। ঠিক এমন সময়ই গবেষণাটি প্রকাশিত হলো।
এমআইটির অধ্যাপক ও ফিউচার অব লাইফের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্স টেগমার্ক বলেছেন, সম্প্রতি এআইয়ের কারণে হ্যাকিং বেড়েছে। পাশাপাশি অনেক অপ্রত্যাশিত (আত্মহত্যা) ঘটনাও ঘটেছে। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে অনেক আলোচনা ও উদ্বেগ বেড়েছে। তবু যুক্তরাষ্ট্রের এআই কোম্পানিগুলো একটি রেস্টুরেন্টের তুলনায়ও কম নিয়ন্ত্রিত। তারা নিরাপত্তার কঠোর নিয়ম মানতে রাজি নয়; বরং এর বিরোধিতা করতে চেষ্টা করছে।
অলাভজনক সংস্থা ফিউচার অব লাইফ ইনস্টিটিউট মানুষের জন্য বুদ্ধিমান যন্ত্র বা এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুপারইন্টেলিজেন্ট এআই (মানুষের চেয়ে অনেক বুদ্ধিমান এআই) তৈরি করা এখনই বন্ধ করা উচিত।










