কেবল প্রশ্নের উত্তর দেয়া চ্যাটবট থেকে এবার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্লাটফর্মে রূপ নিচ্ছে চ্যাটজিপিটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) এ সেবার ভেতরই তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ চালুর সুযোগ দিয়েছে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই। ব্যবহারকারীরা শিগগিরই চ্যাটের মধ্যেই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পরিষেবা যুক্ত করে কাজ করতে পারবেন। খবর ইন্ডিয়া টুডে।
ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটির জন্য তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ জমা দেয়ার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির ভেতর একটি অ্যাপ ভাণ্ডার তৈরি হচ্ছে। এটি টুলস মেনু থেকে ব্যবহার করা যাবে। এখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ বেছে নিয়ে সরাসরি চ্যাটের মধ্যেই চালানো যাবে।
অনেকের মতে, উদ্যোগটির ফলে ভ্রমণ বুকিং, বাসা বা ফ্ল্যাট খোঁজা, ডিজাইন তৈরি কিংবা নিত্যপণ্যের অর্ডারের মতো কাজ আলাদা অ্যাপে না গিয়ে একই জায়গা থেকে করা সম্ভব হবে। এতে একাধিক ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের জন্য বারবার অ্যাপ বদলানোর প্রয়োজন থাকবে না।
এর আগে গত অক্টোবরে সীমিত পরিসরে কয়েকটি অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সেবা যুক্ত করা হয়েছিল। তখন ভ্রমণ, সংগীত, আবাসন ও ডিজাইন-বিষয়ক কিছু পরিষেবার মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। এবার সে সুযোগ সব ডেভেলপারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ডেভেলপারদের জন্য একটি অ্যাপ সফটওয়্যার উন্নয়ন কিট চালু করেছে ওপেনএআই, যা বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এ কিট ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটির জন্য অ্যাপ তৈরি, পরীক্ষা ও উন্নয়ন করা যাবে। তৈরি করা অ্যাপ নিরাপত্তা ও ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ের পর অনুমোদন পেলে এটি অ্যাপ ভাণ্ডারে যুক্ত হবে।
ওপেনএআই জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হচ্ছে চ্যাটজিপিটিকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা। আগামী এক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে অনুমোদিত অ্যাপগুলো সবার জন্য চালু হবে আশা করা হচ্ছে। ফলে চ্যাটবট ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যকার পার্থক্য কমে আসবে।










