নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় স্কুলছাত্রী মুক্তি বর্মণকে (১৬) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত কাওসারকে (১৯) গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার প্রেমনগর সালিপুরা এলাকায় একটি জঙ্গল থেকে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত বখাটে কাওসারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি একটি জঙ্গলে সে লুকিয়ে ছিল। জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুক্তি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে কাওসার।

এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বারহাট্টায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বারহাট্টা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে নারী প্রগতি সংঘ, ইয়ুথ গ্রুপ, কমিউনিটি ফোরাম ও সর্বস্তরের নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচির পালন করা হয়। এসময় বক্তারা অভিযুক্ত কাওসারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ সময় বক্তব্য রাখেন, বারহাট্রা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম,বাংলাদেশ নারী প্রগতী সংঘ বারহাট্রা শাখা ব্যবস্থাপক সুরজিত ভৌমিক, জেলা উদীচী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,সাংবাদিক ভজন দাস,বারহাট্রা প্রেসক্লাব সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, নারী নেত্রী কহিনুর বেগম,মৃনাল চক্রবর্তীসহ অন্যরা।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে উপজেলার ছালিপুরা এলাকায় দশম শ্রেণির ছাত্রী মুক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেন মো. কাওসার মিয়া। নিহত মুক্তি উপজেলার প্রেমনগর গ্রামের নিখিল বর্মণের মেয়ে এবং প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। আর অভিযুক্ত কাওসার মিয়া একই গ্রামের মো. শামসু মিয়ার ছেলে।