গতকাল জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলনের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়।
বৈঠককালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে অধিকতর কার্যকর ও সুসংহত করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে। তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে যথাযথ ভূমিকা রাখবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ভিন্নধর্মী ও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর করতে হবে, যেখানে সংসদই হবে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র এবং সরকার ও বিরোধী দল সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো জানান, সংসদের কার্যপ্রণালিতে (রুলস অব প্রসিডিউর) পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে উভয় পক্ষই মতামত দিয়েছে। প্রতিনিধি দল এ আলোচনার ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে। এ সময় তিনি সংসদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
প্রশ্নোত্তর ও প্রস্তাব উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারি দলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে একটি সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।’
এমপিদের দক্ষতা ও কার্যকর ভূমিকা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। আলোচনার ভিত্তিতে একটি সুপারিশমালা তৈরি হবে এবং এর মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে আরো কার্যকর করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এমপি।










