সাবেক নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা হিসাব বিবরণী তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল (সিআইসি)। গত ৬ অক্টোবর এ সংক্রান্ত চিঠি বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) এনবিআর সূত্রে চিঠির বিষয়টি জানা গেছে। হেলালুদ্দীন আহমেদকে বিকালে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

চিঠিতে করদাতার (হেলালুদ্দীন আহমেদ) ও তার একক বা যৌথ নামে অথবা তার মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (কোম্পানি ব্যতীত) নামে ব্যাংকে বা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত বা রক্ষিত যেকোনো মেয়াদি আমানত হিসাব (এফডিআর ও এসটিডি হিসাবসহ যেকোনো ধরনের বা নামের মেয়াদি আমানত হিসাব), যেকোনো ধরনের বা মেয়াদের সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট, লকার বা ভল্ট, সঞ্চয়পত্র বা অন্য যেকোনো ধরনের সেভিংস ইন্সট্রুমেন্ট, ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা ডিপোজিট স্কিম বা অন্য যেকোনো ধরনের বা নামের হিসাব পরিচালিত বা রক্ষিত হয়ে থাকলে ওই হিসাব বা হিসাবগুলোর তথ্য চাওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে হালনাগাদ বিবরণী ও ঋণের বিপরীতে রক্ষিত জামানতের বিবরণীসহ দিতে বলা হয়েছে। চিঠি প্রাপ্তির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য আসা শুরু হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, উপযুক্ত কারণ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্যাবলী সরবরাহ করা না হলে এবং উপর্যুক্ত চাহিদা মোতাবেক তথ্য সরবরাহে অস্বীকৃতি বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ধারা ২৬৬(২)(গ) অনুযায়ী এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং পরবর্তীতে প্রতিদিনের জন্য পাঁচশ টাকা হারে জরিমানা আরোপ। আয়কর আইন, ২০২৩ এর ৩১১ (ক) ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড আরোপের লক্ষ্যে প্রসিকিউশন বা ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।