জুনে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। সেই তুলনায় জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমেছে দশমিক ৮৪ শতাংশ। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ, যার পর থেকে জুলাইয়ের এ হারই সর্বনিম্ন।

গতকাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের তথ্য মতে, গত জুনে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর অর্থাৎ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এছাড়া এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, জুলাইয়ে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। তবে খাদ্যপণ্যের দাম কমার প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি। জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। গত বছরের জুলাইয়ে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এটি ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন খাদ্য মূল্যস্ফীতি।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুনে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ থাকলেও জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে। গত বছরের জুলাইয়ে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। তবে সাধারণ ও খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে।