মানিকগঞ্জে বাসের ধাক্কায় প্রাইভেট কারে থাকা এক চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। এছাড়া মাদারীপুর, বান্দরবান ও নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় আরো তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে। গতকাল দিনের বিভিন্ন সময় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে-
মানিকগঞ্জ: গতকাল সকালে মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের সার্জারি বিভাগের প্রধান এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন (৬৭) প্রাইভেট কারে কর্মস্থলে আসছিলেন। পথে মানিকগঞ্জের ভাটবাউরে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন সাখাওয়াত হোসেন। পরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের উপরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান।
মাদারীপুর: শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে বাসচাপায় শহিদ সরদার (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল সকাল ৮টার দিকে শহিদ সরদার ফরিদপুর থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার জগিকান্দার মান্নান সরদারের ছেলে।
শিবচর হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চালিয়ে ভোরে ফরিদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন শহিদ। মাঝপথে মাদারীপুরের শিবচরের কুতুবপুরে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি ছিটকে বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ের ডিভাইডারে আছড়ে পড়ে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই শহিদের মৃত্যু হয়।
বান্দরবান: জেলার রুমায় চান্দের গাড়ি উল্টে লিংএ খুমি (১৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিনজন। গতকাল সকালে রুমা সদর ইউনিয়নের নাজেরাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিংএ খুমি সদর ইউনিয়নের ক্যতাই পাড়া গ্রামের কুহই খুমির মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে রুমা উপজেলা সামাখাল পাড়া থেকে চান্দের গাড়িতে রুমা বাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন তারা। পথে নাজেরাট বমপাড়ায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। এ সময় গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে লিংএ খুমি মারা যান।
রুমা থানার ওসি শাহজাহান জানান, আহতদের রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নাটোর: সিংড়ায় ট্রাকচাপায় তৃষা রানী (১৪) নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় মেয়েটির বাবা তাপস কুমারও আহত হন। গতকাল সকালে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের নিংগইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করতে পারলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন।
সিংড়া থানার ওসি আবুল কালাম জানান, সকালে মেয়ে তৃষা রানীকে নিয়ে সিংড়া থেকে নিজ বাড়ি বাগাতিপাড়ায় যাচ্ছিলেন তাপস কুমার। তবে খানাখন্দ থাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর পড়ে যায়। এ সময় বগুড়া থেকে নাটোরগামী একটি ট্রাক পেছন থেকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় তৃষা রানী।










