ঢাকার দোহার অগ্রণী ব্যাংকের আন্তাবাহ্রা শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে হতদরিদ্রের নামে পল্লী ঋণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে কী পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে দোহার ইকরাশি গ্রামের নাজমা আক্তার বলেন, দোহারে অগ্রণী ব্যাংকের আন্তাবাহ্রা শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবির লকডাউন চলাকালে ফোন করে বলেন, ব্যাংক থেকে হতদরিদ্রদের ত্রাণ দেয়া হবে আপনি আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) দেন। আমি তার কথায় বিশ্বাস করে তাকে ১০টি আইডি কার্ড দিই। পরে জানতে পারি যাদের আইডি কার্ড দিয়েছিলেন তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি ১ লাখ টাকা করে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। গত ২২ নভেম্বর উপজেলার জয়পাড়া শাখায় বদলি হয়ে যান তিনি।

অগ্রণী ব্যাংক আন্তাবাহ্রা শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক নাসির আহমেদ বলেন, আমি এ শাখায় গত মাসে যোগদান করেছি। পূর্বে কে কি অনিয়ম করেছে সে বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না। তবে প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে চার সদস্যের একটি অডিট কমিটি করা হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও অগ্রণী ব্যাংক প্রিন্সিপাল শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার শ্রী সুব্রত কুমার রায় বলেন, দোহার অগ্রণী ব্যাংকের আন্তাবাহ্রা শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবিরের অনিয়মের বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। অডিট শেষ হলে বিস্তারিত জানানো যাবে। শাখাটিতে কী পরিমাণ টাকার অনিয়ম হয়েছে এটা এখনই বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হুমায়ূন কবিরের সেলফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলে বন্ধ পাওয়া যায়।