মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের বেশকিছু পাণ্ডুলিপিতে আরবি-ফারসি অক্ষরে বাংলার ব্যবহার দেখা যায়। অনেকে মনে করতে পারেন শুদ্ধতাবাদী ধর্মভীরু নিষ্ঠাবান মুসলমানরাই কেবল বাংলায় আরবি-ফারসি অক্ষরে ধর্মবিষয়ক বই লিখতেন। তবে বাস্তবে এসব সাহিত্যে উঠে এসেছে সমাজজীবনের নানা দিক।

এ লিখনরীতি থেকে আসা পুঁথিকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে গল্প-কল্পকাহিনীমূলক কাব্য, উপন্যাস, এমনকি মহাকাব্যের মতো সাহিত্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শহিদুল হাসানের এক প্রবন্ধে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির অডিটোরিয়ামে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) দ্বাদশ মাসিক সাধারণ সভায় প্রবন্ধটি উপস্থাপন করা হয়। যার বিষয়বস্তু ছিল, ‘ফাতেমার সুরতনামা ও সাকিনা-বিলাপ: পাণ্ডুলিপি-পাঠ ও লিখন বৈচিত্র্য।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এম সিদ্দিকুর রহমান খান।

আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আশা ইসলাম প্রমুখ। অনলাইনে যুক্ত হন স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড এশিয়া স্টাডিজের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া খাতুন।