প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আদিবাসী নেতা সুব্রত সাংমা। তিনি উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বহেরাতলী গ্রামের সুধীর মানখিনের ছেলে। ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি হামলার শিকার হন।
রাজনৈতিক বিরোধ ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারের জেরে ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিপক্ষের কয়েক দফা হামলার শিকার হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন গারো সম্প্রদায়ের নেতা সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান। গতকাল দুপুরে সেখানেই তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় আগে একটি মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছিলে দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুল্লাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়ালকে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুল্লাগড়া ইউনিয়নের স্থানীয় রাশিমণি বাজার এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত সুব্রত সাংমার ওপর হামলা চালায়। তাকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসার জন্য মোটরসাইকেলে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হচ্ছিল। পথে শিবগঞ্জের সোমেশ্বরী নদীর ঘাট এলাকায় পৌঁছলে আবারো হামলার শিকার হন তিনি। এ সময় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ সময় সুব্রত সাংমাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার আটদিন পর গতকাল দুপুর সোয়া ১২টায় মারা যান তিনি।
এ হামলার ঘটনায় রাতেই দুর্গাপুর থানায় মামলা করেন সুব্রত সাংমার বোন কেয়া তজু। মামলায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল, তার দুই ভাই শামীম মিয়া ওরফে শ্যুটার শামীম ও বদিউজ্জামানসহ ১৫ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১৬ জনকে আসামি করা হয়।










