বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’
ক্রমশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় বরিশাল থেকে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ বরিশালের সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
পায়রা সমুদ্রবন্দর ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। তবে বরিশাল নদী বন্দরে ২ নম্বর
বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন
রুটের যাত্রীদের নদী বন্দরে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে। ভোলার উদ্দেশে বন্দরে আসা যাত্রী
ফিরোজা বেগম বলেন, মেয়ে বাড়ি বেড়াতে এসেছিলাম। এখন বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়ে নদী
বন্দরে এসে দেখি সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে আবার মেয়ের বাড়ি ফিরে
যাচ্ছি।
আরেক যাত্রী রবিন বলেন, জরুরি কাজের
জন্য মেহেন্দিগঞ্জের ভাসানচরে যাওয়ার উদ্দেশে নদী বন্দরে এসেছিলাম। কিন্তু ঘাটে এসে
দেখি কোনো লঞ্চ যাবে না। এখন বাধ্য হয়ে সড়ক পথে যেতে হবে।
মেডিকেল কলেজের ছাত্র সাব্বির বলেন,
বাড়ি যাওয়ার জন্য সহজে ছুটি মিলে না। অনেক কষ্ট করে আজ ছুটি নিয়ে রওনা হয়েছিলাম।
কিন্তু ঘাটে এসে দেখি ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কারণে সব লঞ্চ বন্ধ রয়েছে।
নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা
বিভাগ বরিশালের সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন বলেন, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে অভ্যন্তরীণ
ও ঢাকা-বরিশাল রুটের সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়ার
আগ পর্যন্ত চলাচল বন্ধ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে গেলে লঞ্চগুলো চলাচলের অনুমতি
দেয়া হবে।
এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অধিদপ্তরের উচ্চ-পর্যবেক্ষক
আ. কুদ্দুস বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি পায়রা বন্দর থেকে ২৭০ কিলোমিটার
দূরে অবস্থান করছে। এ কারণে পায়রা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় বরিশালে
৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আজ সকাল থেকে কিছুটা ভারী বৃষ্টিপাত
শুরু হয়েছে।










