নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সঙ্গীত বিভাগের পরীক্ষা কমিটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অনিয়মের ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর বণিক বার্তায় ‘নাম্বার টেম্পারিং:ঢাবিতে মিডটার্মে অনুপস্থিত থেকেও শিক্ষার্থী পেল ২২!' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। যেখানে সঙ্গীত বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবপ্রসাদ দাঁর বিরুদ্ধে উঠা নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে প্রেরিত এ নোটিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মহীউদ্দীন আহমেদ।
তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। পরে কর্তৃপক্ষ এর ব্যাখ্যা চেয়ে পরীক্ষা কমিটিকে চিঠি দেয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্য ব্যাখ্যা চেয়ে প্রেরিতে এই নোটিশের জবাবে গতকাল বুধবার সকালেই দেয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে ভুল স্বীকার করা হয়েছে৷
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৫ম সেমিস্টারের মিডটার্ম পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সঙ্গীত বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের এক শিক্ষার্থী। এতে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় তিনি শূন্য নম্বর পান। যদিও অনার্সের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, টেবুলেশন শিটে ওই শিক্ষার্থীর রোলের ঘরে ২২ দেয়া হয়েছে। পরে এ ঘটনায় পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও টেবুলেটর সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবপ্রসাদ দাঁ’র দিকে আঙুল ওঠে।
অধ্যাপক ড. শাহনাজ নাসরিন ইলার সভাপতিত্বে গঠিত ওই কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরো আছেন সহকারী অধ্যাপক মো. এনামুল হক।










