নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চর সৈয়দপুর এলাকা থেকে নিখোঁজের দুইদিন পর রাকিন নামে চার বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল দুপুরে চর সৈয়দপুরে শিশুটির বাড়ির পাশে অন্য একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর মডেল থানার পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার সকালে বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় শিশু রাকিন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরদিন তার পরিবার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।
নিহত রাকিন ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জালাল মিয়ার ছেলে। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক হর বিলাশ মণ্ডল বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেপটিক ট্যাংকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য জানতে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, কয়েক মাস ধরে বাড়ির পাশে সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনাটি খোলা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে গিয়ে শিশুটি সেখানে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরো জানান, ঘটনার পর থেকে সেপটিক ট্যাংকের বাড়ির মালিকসহ লোকজন পালিয়ে গেছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এদিকে বিকালে শিশুটির মরদেহ চর সৈয়দপুর বড় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত শিশুটির চাচা ইয়াছিন বলেন, যেহেতু এটি দুর্ঘটনা, তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান ও মেম্বার শিশুটির অভিভাবক ও উন্মুক্ত সেপটিক ট্যাংকের বাড়ির মালিকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছেন। ওই বাড়ির মালিক ক্ষতিপূরণ বাবদ নিহত শিশুটির পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মামলা-মোকদ্দমা না করে দায়িত্ব নিয়ে সুষ্ঠু সমাধানের চেষ্টা করছেন।










