সিরাজগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান বেসরকারিভাবে তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগের তানভীর শাকিল জয় দুই লাখ ৭৮ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জহুরুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন তিন হাজার ১৩৯ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ড. জান্নাত আরা হেনরী দুই লাখ ৮৪ হাজার ৮৫৮ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ঝন্টু লাঙ্গল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন চার হাজার ৫৮০টি।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আব্দুল আজিজ এক লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুইট ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৭০৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম শফি দুই লাখ ২০ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের হিল্টন প্রামাণিক পেয়েছেন সাত হাজার ৮৮ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মমিন মণ্ডল ৭৭ হাজার ৪২২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস পেয়েছেন ৭৩ হাজার ১৮৩ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চয়ন ইসলাম এক লাখ ২৮ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা হালিমুল হক পেয়েছেন ২৫ হাজার ৬৭৬ ভোট।

নয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২৫ লাখ ১২ হাজার ১১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৬৯ হাজার ৬১০ জন ও নারী ভোটার রয়েছেন ১২ লাখ ৪২ হাজার ৪৮১ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৯ জন।