এ লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
গতকাল মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের নেয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন আইরিন খান।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’
বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আইরিন খান বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার আরো বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ খাতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন।’
এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।










