রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ভেদভেদীতে বন বিভাগের নার্সারিতে অবস্থিত বৈলাম গাছকে ‘স্মারক বৃক্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পারভেজ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ১১ মে বণিক বার্তায় ‘পাহাড়ি বনে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা বৈলাম বৃক্ষ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ২৩ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার রাঙ্গাপানি মৌজার বৈলাম গাছকে স্মারক বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হলো।
এ ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রাম ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের অধীন ভেদভেদী নার্সারি সম্প্রসারণ কেন্দ্রে অবস্থিত বৈলাম গাছটি সরকারি গেজেটে স্মারক বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা আগে থেকেই বৈলাম গাছটি সংরক্ষণ ও পরিচর্যা করে আসছি৷। বিপন্ন প্রজাতির এ বৃক্ষ থেকে আমরা ২০২৩ সালে অনেকগুলো চারা উৎপাদন করেছি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে বিতরণ করেছি। কিন্তু প্রতি বছর ফল না হওয়ায় চারা উৎপাদন করা যাচ্ছে না।’
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর তফসিল ৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৫৫টি উদ্ভিদকে সংরক্ষিত বা রক্ষিত উদ্ভিদ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। আইন অনুযায়ী, এ ৫৫ প্রজাতির উদ্ভিদ ইচ্ছাকৃতভাবে ওঠানো, উপড়ানো, ধ্বংস বা সংগ্রহ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। সংরক্ষিত উদ্ভিদের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম।










