পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ
ও ভারতের মধ্যে যে বৈঠকগুলো হয় সেখানে সবসময় সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়টি আমরা ব্যক্ত করি। সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে বৈঠক হয়েছে, সেখানকার আলোচনায় দুদেশই চায় সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে। আমি নিজেও সীমান্তবর্তী একটি আসনের সংসদ সদস্য। পদ্মার ওপারে ভারত এপারে আমার নির্বাচনী এলাকা। সীমান্তে হত্যা বন্ধের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে ভিসা, পাসপোর্ট ছাড়া কেউ না যান। অংকের হিসাবে সীমান্ত হত্যা কমে এসেছে। কিন্তু একটা মৃত্যুই অনেক, তাই আমরা সীমান্তে একটা মৃত্যুও চাই না। আশা করি, সামনের দিকে মৃত্যু শূন্যের কোটায় নামবে।’
গতকাল দুপুরে লালমনিরহাট চার্চ অব গড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পরিবারে একজন সদস্য বাংলাদেশী ও আরেকজন ভারতীয়, এ রকমও কিন্তু আছে। নিশ্চিত করে বলতে পারি ২০২০-২১ সালের চেয়ে সীমান্তে এ বছর সীমান্ত হত্যা কম। তবে আমরা একটা মৃত্যুও চাই না।
লালমনিরহাটের মোগলহাট স্থলবন্দরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের
সকল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও পাকিস্তান পরবর্তী সময় থেকে মোগলহাটের রেললাইনটি চালু ছিল। সেখান থেকে কয়লা আসত তবে আমরা দু-দেশ মিলে পুরনো যত যোগাযোগের পয়েন্ট রয়েছে তা পুনরায় চালু করব। তবে সেখানে বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়। এখানে যোগাযোগসহ সার্বিক দিক দেখতে হয়। আমি এখানকার চেম্বারের সঙ্গে বসব। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে স্থলবন্দর চালু করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়ার কথা জানাব।’
চার্চ অব গড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদার রহমানের সভাপতিতে ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উদযাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, লালমনিরহাট পৌরসভার মেয়র রেজার করিম স্বপন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, শিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রায় পাঁচ হাজার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।










